গত দুই মাসে মার্কিন বিচার বিভাগ (DOJ) জেফরি এপস্টাইনের যৌন পাচার তদন্ত সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ জানিয়েছেন, সরকারের পর্যালোচনা শেষ এবং নতুন করে কাউকে অভিযুক্ত করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইছেন আমেরিকা এপস্টেইন বিতর্ক ভুলে সামনে এগিয়ে যাক।
তবে বিষয়টি এত সহজে শেষ হচ্ছে না। একদিকে বিচার বিভাগ তদন্ত সমাপ্ত ঘোষণা করলেও মার্কিন কংগ্রেস তাদের নিজস্ব তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং হিলারি ক্লিনটনের সাক্ষ্য দেওয়ারও কথা রয়েছে। অন্যদিকে, এপস্টাইনের ভুক্তভোগীরা এবং কিছু কংগ্রেস সদস্য অভিযোগ করছেন যে, অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি এখনো গোপন রাখা হয়েছে।
এই কেলেঙ্কারিতে প্রিন্স অ্যান্ড্রু, বিল গেটস বা এলন মাস্কের মতো প্রভাবশালীদের জবাবদিহি করতে হলেও, ট্রাম্প আপাতত বড় কোনো ক্ষতি ছাড়াই টিকে গেছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, "আমার বিরুদ্ধে কিছুই পাওয়া যায়নি" এবং তিনি বলেন ২০০৪ সালের পর এপস্টাইনের সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল না।
তবে বাস্তবতা হলো, প্রকাশিত নথিতে ট্রাম্পের নাম ৬,০০০ বারের বেশি উল্লেখ করা হয়েছে এবং নব্বইয়ের দশকে এপস্টাইনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের প্রমাণ রয়েছে। যদিও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি অপরাধের কোনো প্রমাণ মেলেনি এবং তিনি ইমেইল ব্যবহার না করায় তাঁর কোনো ডিজিটাল আলাপচারিতাও পাওয়া যায়নি।
ডেমোক্র্যাটরা সন্দেহ প্রকাশ করছেন যে, ট্রাম্পকে রক্ষা করতে হয়তো কিছু তথ্য আড়াল করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীরাও বিচার বিভাগের পদক্ষেপে অসন্তুষ্ট। ট্রাম্পের সমর্থকরা বিষয়টি নিয়ে এখন আর মাথা না ঘামালেও, বিরোধীরা ছাড় দিতে নারাজ। ডেমোক্র্যাটরা আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী হলে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করার হুমকি দিয়ে রেখেছেন। প্রেসিডেন্ট যতই এই অধ্যায় চুকিয়ে ফেলতে চান না কেন, এপস্টাইনের মৃত্যুর বহু বছর পরও এই ঘটনাটি মার্কিন রাজনীতিতে এখনো বেশ প্রাসঙ্গিক।
সূত্র : বিবিসি
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!