বলয়াকার সূর্যগ্রহণ ১৭ ফেব্রুয়ারি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই গ্রহণের বাইরে থাকবে। 
 বলয়াকার সূর্যগ্রহণ ১৭ ফেব্রুয়ারি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই গ্রহণের বাইরে থাকবে।    ছবি: সংগৃহীত

১৭ ফেব্রুয়ারি আকাশে ঘটতে যাচ্ছে বলয়াকার সূর্যগ্রহণ। এ গ্রহণ ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ঘটবে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, গ্রহণকে একটি অসাধারণ জ্যোতির্বিদ্যাগত ঘটনা হিসেবে দেখা হয়। তবে, জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে, কোনও গ্রহণই সাধারণ নয়।

অনেকেই একে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয়। দুঃখের বিষয় হলো, এই সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ তখনই ঘটে, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে আসে। কিন্তু সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। সেসময় চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না। সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল একটি বলয় দেখা যায়। এই দৃশ্যকেই বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। গ্রহণ শুরু হবে আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী সকাল ৭টা ১ মিনিটে (ইউটিসি)। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তা শুরু হবে দুপুর ১টা ১ মিনিটের দিকে। বলয়াকার অংশটি সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে। তবে এই দৃশ্য দেখা যাবে পৃথিবীর খুব সীমিত কিছু এলাকায়।

এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে মূলত অ্যান্টার্কটিকার কিছু দুর্গম এলাকায়। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশ এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে আংশিকভাবে গ্রহণ দেখা যেতে পারে। ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই গ্রহণের বাইরে থাকবে। 

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ  দেন সূর্যগ্রহণ দেখার সময় চোখের নিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। যারা গ্রহণ দেখতে পাবেন, তাদের অবশ্যই অনুমোদিত (আইএসও ১২৩১২-২ মানসম্পন্ন) সূর্যগ্রহণ চশমা ব্যবহার করতে হবে। খালি চোখে বা সাধারণ চশমা পরে সূর্যের দিকে তাকানো খুবই ক্ষতিকর (চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে)।

এমআর/আরটিএনএন