ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, খোমেনি, ট্রাম্প, ইসরায়েল
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ   সংগৃহীত

পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, মার্কিন বাহিনী অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট (সার্জিক্যাল) এবং প্রবল (ওভারহোয়েলমিং) কায়দায় হামলা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন সামরিক অভিযান কোনো ‘অন্তহীন যুদ্ধে’ পরিণত হবে না। চারজন মার্কিন সেনা নিহতের খবর প্রসঙ্গে হেগসেথ স্বীকার করেন যে, এই অভিযানে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে হামলায় অন্তত ১৬৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের খুঁজে বের করে হত্যা করবে ওয়াশিংটন। হেগসেথ বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তারা তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার সুরক্ষাকবচ হিসেবে প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।

তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে স্বাক্ষরিত ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির সমালোচনা করে একে একটি ‘ব্যর্থ চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন। হেগসেথ জানান, বর্তমানে চলমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মূল লক্ষ্য হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, নৌ-সম্পদ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা অবকাঠামো ধ্বংস করা।

মার্কিন বিমান বাহিনীর জেনারেল এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন আরো বলেন, ইরানের ওপর পরিচালিত এই যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযান ‘কেবল এক রাতের কোনো মিশন নয়’। তিনি বলেন, “আমরা আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছি। বরাবরের মতো আমরা মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করব, তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী যেমনটা বলেছেন, এটি একটি বড়সড় যুদ্ধ অভিযান।”

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই