ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প   ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের সংবাদ প্রচার বা কাভারেজ নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ভুয়া তথ্য ছড়ানো সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার (ট্রিজন) অভিযোগ আনার আহ্বান জানিয়েছেন। নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর এক পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইরান মার্কিন গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে। তাঁর দাবি, ইরান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ট্রাম্প লিখেন, “ইরান ‘ফেক নিউজ’ বা ভুয়া সংবাদ প্রচারকারী মিডিয়ার সঙ্গে যোগসাজশ করে দেখাচ্ছে যে, আমাদের অন্যতম বৃহত্তম ও মর্যাদাপূর্ণ বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ সাগরে দাউ দাউ করে জ্বলছে। অথচ সত্য হলো, এটি জ্বলছিল না, এমনকি এতে কোনো হামলাও হয়নি—ইরান ভালো করেই জানে এমন কাজ করার পরিণাম কী! এই খবরটি ছিল জেনেশুনে প্রচার করা ভুয়া সংবাদ। এক অর্থে বলা যায়, যেসব সংবাদমাধ্যম এই মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে বিচার হওয়া উচিত।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বাস্তবতা হলো, ইরান পর্যুদস্ত হয়ে পড়েছে। তারা কেবল সেই যুদ্ধগুলোতেই ‘জয়’ পাচ্ছে, যেগুলো তারা এআই দিয়ে তৈরি করছে এবং যা দুর্নীতিগ্রস্ত মিডিয়া আউটলেটগুলোর মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে। উগ্র বামপন্থী সংবাদমাধ্যমগুলো বিষয়টি খুব ভালো করেই জানে, তবুও তারা বানোয়াট গল্প ও মিথ্যা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।”

এছাড়া মার্কিন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান ব্রেন্ডন কার-এর প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্প্রচার লাইসেন্স খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়েছেন কার।

এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প লিখেন, “তারা (মিডিয়া) আমেরিকার শত কোটি ডলারের তরঙ্গ (এয়ারওয়েভস) বিনামূল্যে ব্যবহার করে, আর তা ব্যবহার করেই সংবাদ ও প্রায় সব অনুষ্ঠানে ক্রমাগত মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। এমনকি লেট নাইট শোর নির্বোধ সঞ্চালকরাও এর অন্তর্ভুক্ত, যাদের অনুষ্ঠানের রেটিং খুবই জঘন্য হওয়া সত্ত্বেও তারা বিপুল অঙ্কের বেতন পাচ্ছেন।”

 

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই