ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, কাতার
কাতারের রাস লাফান শিল্প কমপ্লেক্স   ছবি: সংগৃহীত

রাস লাফান শিল্প কমপ্লেক্সের মালিক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘কাতারএনার্জি’ জানিয়েছে, তারা স্থাপনাটিতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে এবং সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই তাদের জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সকল কর্মী নিরাপদে আছেন এবং হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে ইরানের এই হামলাকে সংঘাত উসকে দেওয়ার মতো একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাস লাফান শিল্প কমপ্লেক্স বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন কেন্দ্র। বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের ২০ শতাংশই আসে কাতার থেকে এবং ইউরোপ কাতারের গ্যাসের ওপর বহুলাংশে নির্ভরশীল।

হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কতটা গুরুতর—যা আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জানা যাবে—তার ওপর ভিত্তি করে এর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব আগামী কয়েক মাস, এমনকি কয়েক বছর পর্যন্তও থাকতে পারে। এর প্রভাব কেবল কাতারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো অঞ্চল এবং বিশ্বজুড়েই অনুভূত হবে।

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই