মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউরোপের জ্বালানি বাজারেও। যুক্তরাজ্যে পাইকারি গ্যাসের দাম প্রায় ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতি থার্ম (২ দশমিক ৮ ঘনমিটার) গ্যাসের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭১ দশমিক ৩৪ পেন্স বা প্রায় ২ দশমিক ২৯ মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর এটাই সর্বোচ্চ মূল্য।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে।
বুধবার ভোরে ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এটি বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রগুলোর একটি, যার একটি অংশ কাতারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এর জবাবে ইরান সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সের কিছু অংশে আগুন ধরে যায়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের এই অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর।
যুক্তরাজ্য তার জ্বালানির বড় অংশই কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানি করে। ফলে সরবরাহে বিঘ্ন ও অনিশ্চয়তার কারণে দেশটির জ্বালানি বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ আরও বাড়তে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!