ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উল্লাস!   ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধে বড় ধরণের সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল ইরান। বিধ্বস্ত বিমানের পাইলটকে ধরতে পারলেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও চেপে ধরার সুযোগ ছিল একদম হাতের মুঠোয়। কিন্তু যা ঘটলো তা ইরানের জন্য মোটেই সুখকর নয়। ভূপাতিত হওয়ার পর দুই দিন ধরে ইরানের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবশেষে দ্বিতীয় সেই বিমানের পাইলটকে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী। অভিযানে অংশ নেয় স্পেশাল অপারেশনস ফোর্স এর শতাধিক সদস্য। আকাশ থেকে তাদের করা হয় সাহায্য।

উদ্ধার অভিযানটি অন্ধকারে শুরু হলেও এর সমাপ্তি ঘটে আলোতে। সেখানে একটি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাও ঘটে। এতে বোঝা যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওই বিমান সেনাকে কোথায় খুঁজছে, সে সম্পর্কে ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল। এখানে উল্লেখ্য, ‘বিমান সেনা’ শব্দটি লিঙ্গ-নিরপেক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে; তিনি পুরুষ না নারী, তা এখনও জানা যায়নি।

তবে স্পষ্টতই, উদ্ধার অভিযানটি মার্কিন সেনাদের জন্য ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হলেও, ওই বিমান সেনা এবং উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা তখনও বিপদের মধ্যেই ছিলেন। যদিও পরবর্তীতে এক মার্কিন সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ওই বিমানের পাইলট এখন নিরাপদে ইরানের বাইরে অবস্থান করছেন এবং তিনি সম্পূর্ণ বিপদমুক্ত।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, ইরানে এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া ওয়েপনস অফিসারকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি লিখেছেন, “আমরা তাকে পেয়ে গেছি! আমার প্রিয় আমেরিকানবাসী, বিগত কয়েক ঘণ্টায় মার্কিন সামরিক বাহিনী মার্কিন ইতিহাসে অন্যতম দুঃসাহসিক একটি অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করেছে। আমাদেরই একজন অবিশ্বাস্য ক্রু মেম্বার অফিসার, যিনি একজন অত্যন্ত সম্মানিত কর্নেল, তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। আমি আপনাদের জানাতে পেরে রোমাঞ্চিত যে, তিনি এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ সুস্থ আছেন!

 

সূত্র : আল জাজিরা

আরটিএনএন/এআই