হজম
সাধারণ নিয়ম মেনে চললে হজমশক্তি ভালো রাখা সম্ভব।   ফাইল ছবি

ঈদ মানেই মুখরোচক, মসলাদার খাবারের আয়োজন। দীর্ঘ রোজার পরে হঠাৎ একসঙ্গে অনেক ভারী খাবার খেলে অনেকেরই হজমের সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে হজমশক্তি ভালো রাখা সম্ভব।

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অভ্যাসে ফেরা

রোজার পর শরীরকে হঠাৎ ভারী খাবারের সঙ্গে পরিচয় করালে হজমে সমস্যা হতে পারে। তাই একসঙ্গে সব খাওয়ার চেয়ে অল্প পরিমাণে এবং ঘন ঘন খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে পেটও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।

পর্যাপ্ত পানি পান

রোজার সময় শরীর কিছুটা পানিশূন্য থাকে। তাই খাবারের সঙ্গে পানি বা তরল খাওয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। খাবার ও পানির মধ্যে অন্তত ১৫–২০ মিনিট বিরতি রাখুন। পর্যাপ্ত পানি হজমকে সহজ করে, পুষ্টি শোষণ বাড়ায় এবং পেট ফাঁপা কমায়।

আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া

শাক-সবজি, ফল এবং শস্যজাত খাবার হজমের জন্য খুব উপকারী। এগুলো মলত্যাগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং পেট সুস্থ রাখে। ভারী খাবারের লোভ এড়িয়ে এই ধরনের খাবার বেশি খেতে চেষ্টা করুন।

ভাজা ও তৈলাক্ত খাবার সীমিত করা

চিনিযুক্ত, ভাজা বা অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার হজম ধীর করে এবং অস্বস্তি বাড়ায়। তাই সেসব খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে রোজার পর।

হালকা গরম পানি বা চা

ভারী খাবারের পর হালকা গরম পানি বা ভেষজ চা পান করা হজমকে সহজ করে এবং চর্বি ভাঙতেও সহায়ক। খাবারের কিছুক্ষণ পর এটি খেলে পেটও আরাম পাবে।

এই সাধারণ নিয়মগুলো মেনে চললে ঈদের খাওয়ার আনন্দের সঙ্গে হজমও থাকবে ঠিকঠাক।