পাবনা
পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে কোনো বাধা নেই বলে আপিল বিভাগ আদেশ দিয়েছেন।   ছবি: সংগৃহীত

গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করেছিল। সেই গেজেট অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে কোনো বাধা নেই বলে আপিল বিভাগ আদেশ দিয়েছেন। এর ফলে সাথিয়া উপজেলা পাবনা-১ আসনের অংশ হিসেবে গণ্য হবে আর সুজানগর ও বেড়া উপজেলা মিলিয়ে পাবনা-২ আসনের অংশ হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। 

আদেশে বলা হয়েছে, সাথিয়া উপজেলাকে পাবনা-১ আসন হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সুজানগর ও বেড়াকে মিলিয়ে পাবনা-২ আসন হিসেবে ধরা হবে।

আদালতে ইসির পক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী। বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।

পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভাকে বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করার ইসির গেজেট অবৈধ ঘোষণা সংক্রান্ত রায় স্থগিত করে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সর্বোচ্চ আদালত এই আদেশ দেন।

গত ১৩ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত রাখতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। আবেদনে পাবনা-১ ও ২ আসনে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরুর করার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এ আবেদন দায়ের করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীমানা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দুটি আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়। গত ৫ জানুয়ারি পাবনার-১ ও ২ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে ২৪ ডিসেম্বরের জারি করা গেজেট স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এমকে/আরটিএনএন