১১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে দূরপাল্লার বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক মালিক সমিতি।
রোববার সমিতির সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি জানান, ১১ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১০ ফেব্রুয়ারির অগ্রিম টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি। মূলত ভোটাররা ভোটের এক দিন আগেই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করায় ১০ ফেব্রুয়ারি যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে, যেখানে ১১ ফেব্রুয়ারির টিকিটের চাহিদা এখন পর্যন্ত তুলনামূলক কম।
ভোটের দিন বাস চলাচলের বিষয়ে মালিক সমিতি জানিয়েছে যে, অধিকাংশ দূরপাল্লার বাস সার্ভিস ওই দিন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে। যদিও বাস চলাচলের ওপর সরাসরি কোনো আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে পরিবহন খাতের বেশিরভাগ কর্মী ভোট দেওয়ার জন্য ছুটি নেয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
বাস মালিক সমিতির সভাপতির জানান ভোট শেষ হওয়ার পর ওই দিন রাতেই সার্ভিসগুলো আবারও পুরোদমে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় যান চলাচলের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করলেও দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস চলাচলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শিথিলতা রাখা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন বা স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় যান চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না। তবে যাত্রীদের শেষ মুহূর্তের ভিড় ও ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহ করার পরামর্শ দিয়েছে মালিক সমিতি। নির্বাচন কমিশনের এই পরিবহন পরিকল্পনা মূলত নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভোটারদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়।
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!