ইরান, মধ্যপ্রাচ্য,  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিভিল এভিয়েশন,
ফ্লাইট এমনভাবে রিসিডিউল করা হচ্ছে, যাতে দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা যাত্রীরাও ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সময় পান।   ছবি: সংগৃহীত

রানসহ মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট যুদ্ধাবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে স্থগিত হওয়া ফ্লাইটগুলো পুনর্নির্ধারণ (রিসিডিউল) করে যাত্রীদের পর্যাপ্ত সময় দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

রোববার (১ মার্চ) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ট্রাফিক সিগন্যাল মনিটরিং সেলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গতকাল শনিবার থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক রুটে প্রায় ৫৪টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ বিমানের নির্ধারিত কিছু গন্তব্যের ফ্লাইটও স্থগিত রাখা হয়। তবে আজ থেকে সেগুলো আবার চালু করা শুরু হয়েছে।

রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ফ্লাইট পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আন্তমন্ত্রণালয় পর্যায়েও আলোচনা হয়েছে, এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীও যুক্ত ছিলেন। উদ্দেশ্য একটাই—ফ্লাইট স্থগিতের কারণে যাত্রীদের যেন কোনো দুর্ভোগ না হয়।

যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেই সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন এবং যাত্রীদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন। যারা নির্ধারিত সময়ে যেতে পারছেন না, তাদের দেখভাল এবং রোজার মধ্যে ইফতারের ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

যাত্রীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতিটি কারও নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই ফ্লাইট ধরতে বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সি বা এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসা উচিত। এতে ফ্লাইটের সঠিক সময় জানা যাবে এবং অযথা ভোগান্তি এড়ানো সম্ভব হবে।

প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা যাত্রীদের কথাও বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্লাইট এমনভাবে রিসিডিউল করা হচ্ছে, যাতে দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা যাত্রীরাও ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সময় পান। পরিস্থিতি আর খারাপ না হলে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে অবস্থা অবনতির দিকে গেলে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।