দেশে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ নিরাপদ পানীয় জলের সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) যৌথ জরিপের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে ৩৯.৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যদিও স্যানিটেশনের আওতা ৭৩ শতাংশে পৌঁছেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দূষিত পানির কারণে শিশুদের স্বাস্থ্য বিপন্ন হচ্ছে। জরিপে দেখা গেছে, গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত পানির ৮০ শতাংশের বেশি নমুনায় ই.কোলাই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি রয়েছে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের বৃদ্ধি, লবণাক্ত পানি, অনিয়মিত বৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মিঠা পানির উৎস সংকুচিত হচ্ছে।
এ অবস্থায় শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, স্কুলে অনুপস্থিতি বেড়েছে এবং পুষ্টিহীনতা বাড়ছে। লবণাক্ত পানি উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, যা বিশেষভাবে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ক্ষতিকর।
গত বছর হাইকোর্ট নিরাপদ পানিকে নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন। রায়ে আগামী ১০ বছরের মধ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত এবং নদী, খাল, বিল ও পুকুরসহ সব জলাধার সংরক্ষণে সরকারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২২ মার্চ) বিশ্ব পানি দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘পানি ও লিঙ্গ সমতা’, যা টেকসই উন্নয়ন ও মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে পানি, স্যানিটেশন ও লিঙ্গ সমতার গুরুত্ব তুলে ধরে।
আরবিএ/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!