পাবনার ঈশ্বরদীতে দাবি করা চাঁদার টাকা না পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক কৃষকের লিজকৃত জমি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার গাজর লুটের ঘটনায় যুবদলের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঈশ্বরদী ইপিজেড গেট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল ঠাকুরপাড়া গ্রামের মো. আশিস (৩০) এবং একই এলাকার বাসিন্দা মো. পলাশ (৩০)। তারা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী ও যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় নিশ্চিত করেছে পাকশী ইউনিয়ন যুবদল।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে জমি থেকে গাজর লুটের বিষয়ে মামলা করেন উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে ভুক্তভোগী কৃষক মো. শরিফুল ইসলাম (৪১)।
এজাহার ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, কৃষক শরিফুল ইসলাম বছরভিত্তিক চুক্তিতে জমি লিজ নিয়ে পাকশী ইউনিয়নের বেলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুল ইসলাম হব্বুল চেয়ারম্যানের দেড় বিঘা জমি এবং পাকশী পেপার মিলস কলোনির চরকী গেটের পশ্চিম পাশে স্বপনের ২ বিঘা জমিতে গাজর চাষ করেন।
আসামিরা কৃষক শরিফুলের কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
ভয়ে শরিফুল প্রথমে ২৫ হাজার টাকা আসামিদের দেন। কিন্তু পরবর্তীতে অবশিষ্ট টাকা না দেওয়ায় আসামিরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন।
এক পর্যায় আসামিরা গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বেলতলা এলাকার দেড় বিঘা জমি থেকে প্রায় ৩০০ মণ গাজর লুট করে করেন। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা।
আসামিরা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে পাকশী পেপার মিলস কলোনির ২ বিঘা জমি থেকে আরও প্রায় ৩৫০ মণ গাজর লুট করে। যার মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা।
ভুক্তভোগী কৃষক শরিফুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে প্রশাসন ও দলীয় নেতাদের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলনও করেন। পরে থানায় লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান রবিবার রাতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার আসামিরা পলাতক ছিলেন।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!