জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও শহিদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও শহিদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান   ছবি সংগৃহীত

শহিদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান তার কর্ম ও লেখনির মাধ্যমে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলেন মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক বিবৃতি তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি শহিদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের অবদান ও ত্যাগের কথা স্মরণ করেন। 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, শহিদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সংগঠনের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দৈনিক সংগ্রাম ও সাপ্তাহিক সোনার বাংলা পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ভূমিকা রেখেছেন। একজন লেখক ও গবেষক হিসেবে তার অবদান দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। কূটনৈতিক মহলেও তিনি সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করতেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তিনি সত্য কথা বলতে কখনো দ্বিধা করেননি। স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। ‘মুহাম্মদ কামারুজ্জামান’ নামটি বাংলাদেশের ছাত্র-যুবসমাজের অন্তরে চিরদিন অম্লান থাকবে।

তিনি আরও বলেন, তৎকালীন সরকার তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে এবং সাজানো সাক্ষ্যের মাধ্যমে ফাঁসির রায় কার্যকর করে। ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

বিবৃতির শেষে তিনি বলেন, তিনি আমাদের মাঝে না থাকলেও তার আদর্শ ও কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন। মহান আল্লাহ তাকে শহিদ হিসেবে কবুল করুন এবং জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দান করুন। দেশবাসীকে তার অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।