টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট গ্রুপিং এক অদ্ভুত পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। গ্রুপ পর্বে শীর্ষে থাকা চারটি দল—ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং জিম্বাবুয়ে—সবাই 'গ্রুপ ১'-এ স্থান পেয়েছে। অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী চারটি দল—নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা—রয়েছে 'গ্রুপ ২'-এ। এই কাঠামোর ফলে নিশ্চিত হয়েছে যে, প্রথম রাউন্ডের সেরা পারফর্ম করা দুটি দল সেমিফাইনালের আগেই ছিটকে যাবে। আর যারা গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েছিল, তাদের জন্য ফাইনালে ওঠার পথটা তাত্ত্বিকভাবে "সহজ" হয়ে গেছে। অথচ খেলার দুনিয়ায় সাধারণত গ্রুপ চ্যাম্পিয়নদের পুরস্কৃত করারই নিয়ম থাকে।
ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের কারণেই সুপার এইট গ্রুপিংয়ে এমন ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে পাকিস্তানের ভারতে কোনো ম্যাচ না খেলার বিষয়টি, যা সময়সূচি নির্ধারণকারীদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। তবে ভারতের সাবেক ওপেনার আকাশ চোপড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওঠা অভিযোগগুলো উড়িয়ে দিয়েছেন। অনেকেই দাবি করছিলেন যে, ভারতের সুবিধার্থে এমন সূচি তৈরি করা হয়েছে। আকাশ চোপড়া স্পষ্ট জানিয়েছেন, এসব দাবির কোনো ভিত্তি নেই।
এক ভিডিওতে আকাশ চোপড়া বলেন, "এই টুর্নামেন্ট দুটি দেশে হচ্ছে। ভারতকে তাদের সব ম্যাচ খেলতে হবে ভারতে, আর শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে খেলতে হবে শ্রীলঙ্কায়। তাই শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে এক গ্রুপে রাখা এবং ভারতকে অন্য গ্রুপে রাখা বাধ্যতামূলক ছিল। তা না হলে কাজ চলবে কীভাবে?"
তিনি আরও বলেন, "অনেকেই বলছেন এসব নাকি বিসিসিআইয়ের সুবিধার্থে করা হয়েছে। তাদের আমি একটা কথা জিজ্ঞেস করতে চাই, 'দিমাগ খালি হ্যায় কেয়া ইয়ার?' (মাথা কি খালি নাকি বন্ধু?) আমরা কেন দক্ষিণ আফ্রিকা আর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিজেদের গ্রুপে চাইব? এতে আমাদের কী লাভ? অস্ট্রেলিয়া যে হেরে যাবে, সেটা কে জানত? আর জিম্বাবুয়ে গ্রুপ টপ করেছে। তাই এটাকে দুর্বল গ্রুপ ভাববেন না। অন্তত কিছু গবেষণা করুন। 'ফালতু কি বাতে মাত কিয়া করো, শোভা নেহি দেতা' (বাজে কথা বলবেন না, এটা আপনাদের মানায় না)।" চোপড়া ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদাহরণ টানেন, যেখানে সুপার এইটে গ্রুপ পর্বের সব চ্যাম্পিয়ন দল এক গ্রুপে পড়েছিল।
সাবেক এই খেলোয়াড় বলেন, "লোকেরা বলছে এটা কীভাবে করা সম্ভব, প্রি-সিডিং কী জিনিস, গ্রুপ টপ করে কোনো লাভ হলো না ইত্যাদি। কিন্তু আমাদের বুঝতে হবে যে এটা প্রথমবার হচ্ছে না। ২০০৭, ২০০৯, ২০১০, এমনকি ২০১২ সালেও এমনটা হয়েছে। ২০১২ সালে ঠিক এখনকার মতোই পরিস্থিতি হয়েছিল, যেখানে টেবিল টপাররা সবাই এক গ্রুপে ছিল।"
সূত্র : এনডিটিভি
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!