অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের খসড়া রূপরেখা তৈরি করেছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেবার পর বাজেট প্রস্তুতিতে চাপ কমাতে এবং নীতিগত নির্দেশনা দিতে এই রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে তিনটি বিকল্প বাজেট রাখা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য বাজেট আকার হতে পারে সোয়া ৮ লাখ কোটি টাকা, যা ব্যয় সাশ্রয়ী।
কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্য থাকলে বাজেট আকার হতে পারে ৮ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা। এটিকে রাজনৈতিক লক্ষ্য হিসেবে ধরা হয়েছে।
এছাড়া ব্যয় সাশ্রয় ও রাজনৈতিক লক্ষ্য দুটির মধ্যে সমন্বয় করলে বাজেট হতে পারে সাড়ে ৮ লাখ কোটি টাকা, যা মধ্যবর্তী বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা আরটিএনএনকে জানান, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনা অনুযায়ী বাজেটে দেশের নিজস্ব অর্থায়ন বাড়ানো, অপ্রয়োজনীয় বৈদেশিক ঋণ এড়িয়ে চলা, শিক্ষার মান উন্নয়ন, পল্লী উন্নয়ন, কৃষক সহায়তা, তরুণ ও নারীর ক্ষমতায়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে আড়াই লাখ কোটি টাকা। মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতি ও ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলনও করেছে।
চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) বাজেট ছিল সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধনের মাধ্যমে সাত লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় এসেছে। এডিপিও কমিয়ে দুই লাখ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এর ফলে দেশের ৫৫তম বাজেটে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!