যবিপ্রবি,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি , সাশ্রয়, ১২ পদক্ষেপ
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে যবিপ্রবির ১২ পদক্ষেপ।   ছবি: আরটিএনএন

 বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সরকার নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) ১২টি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৩তম রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গঠিত কমিটির এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন।

গৃহীত ১২টি পদক্ষেপ:

১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ রেখে জানালা-দরজা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার।

২. সব বিভাগ ও দপ্তরে বিদ্যমান বৈদ্যুতিক আলোর অর্ধেক ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় লাইট বন্ধ রাখা।

৩. অফিস চলাকালীন অতিরিক্ত ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা।

৪. ক্লাসরুম, দপ্তর ও কনফারেন্স রুমে এসি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা; প্রয়োজন হলে তাপমাত্রা ২৫° সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখা।

৫. কক্ষ ত্যাগের সময় সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা।

৬. অফিস শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এসিসহ সব যন্ত্র বন্ধ রাখা।

৭. করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে কম প্রয়োজনীয় লাইট ব্যবহার বন্ধ রাখা।

৮. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার নিশ্চিত করা।

৯. বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার।

১০. বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গ্যালারি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা; প্রয়োজনে সীমিত পরিসরে এসি ব্যবহার।

১১. মনিটরিং কমিটি দুটি দলে বিভক্ত হয়ে নিয়মিত তদারকি করবে।

১২. জ্বালানি সংকট বিবেচনায় দূরপাল্লার রুটে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সীমিত রাখা।

এছাড়া, সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের সামনে স্ট্যান্ড ব্যানার স্থাপন এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে লিফলেট বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে প্রণীত সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে যবিপ্রবি শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।