দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইন ক্লাস এখন প্রাত্যহিক চর্চায় পরিণত হয়েছে। তবে এই পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ একে আধুনিক ও সময়োপযোগী বললেও, কেউ কেউ শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সোহেল হাসান বলেন, “অনলাইন ক্লাস শিক্ষার সহজলভ্যতা তৈরি করেছে। দূরবর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আশীর্বাদ। তবে সরাসরি ক্লাসের মতো শিক্ষার্থীদের শতভাগ সম্পৃক্ত করা এখানে বড় চ্যালেঞ্জ।”
শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির এই সুবিধাকে ইতিবাচকভাবে নিলেও এর কিছু নেতিবাচক দিকও তুলে ধরেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহজাবিন মেবা বলেন, “যাতায়াতের ভোগান্তি ও সময় সাশ্রয়ের দিক থেকে অনলাইন ক্লাস সেরা। কিন্তু ইন্টারনেটের ধীরগতি অনেক সময় বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকাও শারীরিক ও মানসিকভাবে যন্ত্রণাদায়ক।”
অন্যদিকে, অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ ধরে রাখা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী রায়হান কবির। তিনি মনে করেন, “অনলাইন ক্লাসে অনেক শিক্ষার্থী লগ-ইন করে অন্য কাজে লিপ্ত থাকে। এতে নিজের ক্ষতি করার পাশাপাশি শিক্ষার মানও কমে যাচ্ছে।”
অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা মূলত সন্তানদের মনোযোগ ও সঠিক শিখন প্রক্রিয়া নিয়ে। অভিভাবক শারমিন আক্তার বলেন, “নিরাপদ পরিবেশে বাড়িতে বসে ক্লাস করার সুবিধা থাকলেও, বাচ্চারা আসলেই কতটা শিখছে তা নিয়ে আমরা চিন্তিত থাকি।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অনলাইন ক্লাস বর্তমান সময়ে একটি কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। তবে এর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে শিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে আরও সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!