ইরানের পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন, শত্রুদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান বা শেয়ার করার অভিযোগে দেশটিতে ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার (১৬ মার্চ) পুলিশ প্রধান আহমাদরেজা রাদান জানান, এই ঘটনাগুলোর অর্ধেকই গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে “হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে তথ্য প্রদান এবং হামলার স্থানের ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে তা শত্রুদের কাছে পাঠানো।” তবে এই গ্রেপ্তারগুলো ঠিক কখন করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই রবিবার ইরানের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আরও কয়েক ডজন গ্রেপ্তারের খবর দিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘তাসনিম’ জানিয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাদেশিক প্রসিকিউটর অফিসের অভিযোগ, তারা ইসরায়েলের কাছে ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনাগুলোর অবস্থানের তথ্য পাচার করছিল।
বিমান হামলা থেকে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ থাকা ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও ১০ জনকে গ্রেপ্তারের খবর দিয়েছে তাসনিম নিউজ। তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে স্পর্শকাতর স্থান এবং অর্থনৈতিক অবকাঠামো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, ‘স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক’ জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ লোরেস্তানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে “জনমত বিভ্রান্ত করার চেষ্টা... এবং শোকের প্রতীক পোড়ানোর” অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত সপ্তাহে রয়টার্সকে ইসরায়েলের সামরিক কৌশল সম্পর্কে অবহিত একটি সূত্র জানিয়েছে, মাঠ পর্যায়ে থাকা তথ্যদাতাদের (ইনফরমার) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইসরায়েল এখন নিরাপত্তা চেকপয়েন্টগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। এটি ইরানের ওপর তাদের হামলার একটি নতুন ধাপ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
সূত্র : দা গার্ডিয়ান
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!