ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চলতি মাসের শেষের দিকে চীনে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর বহু প্রতীক্ষিত শীর্ষ সম্মেলনটি পিছিয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, তাঁর মতে বেইজিংয়ের উচিত হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করতে সহায়তা করা, কারণ দেশটি তাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের ৯০ শতাংশই এই অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে।
ট্রাম্পের এই প্রচ্ছন্ন হুমকিটি বেশ বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। কারণ, ২০১৭ সালের পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম চীন সফর হতে যাওয়া এই ইভেন্টের ফলাফল নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কর্মকর্তারা বর্তমানে প্যারিসে বৈঠক করছেন।
এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো দুই পরাশক্তির মধ্যে সম্পর্ক স্থিতিশীল করা এবং দীর্ঘদিনের মতবিরোধ যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়, তা নিশ্চিত করা। যদি এই সফর বাতিল হয়ে যায়, তবে তা উভয় দেশের অর্থনীতির জন্যই বড় আঘাত হবে। কারণ আলোচনার টেবিলে বাণিজ্য চুক্তি, চীনে মার্কিন প্রযুক্তি রপ্তানি এবং যুক্তরাষ্ট্রে চীনের বিরল খনিজ (রেয়ার আর্থ) রপ্তানির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো রয়েছে। তাই দুই দেশ এবং তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্কযুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য অনেক কিছুই এখন ঝুঁকির মুখে। মূলত, এই হুমকিটি আবারও প্রমাণ করে যে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্ক কতটা নাজুক ও অস্থিতিশীল।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!