ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান
হরমুজ প্রণালী   ছবি: সংগৃহীত

ইরানি হামলা থেকে জাহাজগুলোকে রক্ষা করতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে ‘সম্মিলিত প্রচেষ্টা’য় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে এর জবাবে জাপান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী সচল করতে সহায়তার জন্য তারা ‘এই মুহূর্তে’ কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রণালীটি কার্যত বন্ধ রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।

সপ্তাহজুড়েই এই জলপথ সুরক্ষিত করতে সহায়তার জন্য বিভিন্ন দেশকে চাপ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশেষ করে চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যের নাম উল্লেখ করেছেন তিনি। এর আগে তিনি সতর্ক করে বলেছিলেন, ন্যাটোর সদস্যরা এগিয়ে না এলে জোটটিকে ‘ভয়াবহ ভবিষ্যতের’ মুখোমুখি হতে হবে। জাপানের পার্লামেন্টে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেছেন, “ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা এই মুহূর্তে সেখানে কোনো নৌ-নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনার কথা ভাবছি না।”

এদিকে যুক্তরাজ্য সরকার প্রণালীতে ‘মাইনসুইপিং’ বা মাইন অপসারণকারী ড্রোন পাঠানোর পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন আমার সহকর্মী কিরন স্ট্যাসি। ব্রিটিশ প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু হোয়াইটহলে আশঙ্কা রয়েছে যে, ট্রাম্পের দাবি মেনে যুদ্ধজাহাজ পাঠালে সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়াও নিশ্চিত করেছে যে তারা কোনো জাহাজ পাঠাবে না। দেশটির পরিবহনমন্ত্রী ক্যাথরিন কিং জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি-কে বলেন, “আমরা জানি বিষয়টি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অনুরোধ আসেনি বা আমরা এতে অংশ নিচ্ছি না।”

সূত্র : দা গার্ডিয়ান

আরটিএনএন/এআই