ইরান, ট্রাম্প, খামেনি, ইসরায়েল, হরমুজ
ইসরায়েলে আরাদে ইরানের মিসাইল হামলার পরবর্তী চিত্র   ছবি: সংগৃহীত

ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের বরাতে জানা গেছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ কমান্ড হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি ইরানের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে কোনো হামলা চালানো হয়, তবে এই অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সকল জ্বালানি স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, তেহরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেবে। ইরানের এই পাল্টা হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সেই হুমকির পরেই এল। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি পণ্যবাহী জাহাজ—যার অধিকাংশই তেল ও গ্যাস ট্যাঙ্কার—এই প্রণালী দিয়ে চলাচলের সময় আটকা পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করছে।

উল্লেখ্য, এই প্রণালীটিই উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বের হওয়ার একমাত্র নৌপথ। বিশ্বের মোট তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই পথ দিয়েই সম্পন্ন হয়। এখানে জাহাজ চলাচলের জন্য দুই মাইল চওড়া দুটি নির্দিষ্ট লেন রয়েছে—একটি দিয়ে জাহাজ প্রবেশ করে এবং অন্যটি দিয়ে বের হয়। এই দুই লেনের মাঝখানে দুই মাইল চওড়া একটি বিভাজক বা বাফার জোন রয়েছে।

সূত্র : দা গার্ডিয়ান

আরটিএনএন/এআই