ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, দিমোনা ও আরাদ শহরে ইরানের হামলার পর প্রায় ১৫০ জন আহত ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য সোরোকা মেডিকেল সেন্টারে এসেছেন। এরই মধ্যে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে ইরান আবারও এক ঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধেয়ে আসা এই হুমকি মোকাবিলায় কাজ করছে।
এর আগে শনিবার (২১ মার্চ) দক্ষিণ ইসরায়েলে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রায় ১০০ জন আহত হয়। ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর আরাদ ও দিমোনা শহরে এই হামলা আঘাত হানে। আহতদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী এক কিশোর এবং ৫ বছর বয়সী এক শিশু কন্যা রয়েছে। তাদের দুজনের অবস্থাই গুরুতর বলে জানা গেছে।
অবশ্য ইসরায়েলের দাবি উপেক্ষা করে ইরানের ইসলামি রেভুলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তাদের সর্বশেষ ছোঁড়া মিসাইলের আঘাতে ইসরায়েলের আরাদ, ডিমোনা, ইলাত, বিরশেবা ও কিরিয়াত গাত শহরের সামরিক স্থাপনা এবং নিরাপত্তাকেন্দ্রগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি এসব হামলায় ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
আল জাজিরা অ্যারাবিকের সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্য ইসরায়েলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরান থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের অল্প সময়ের মধ্যেই এই বিস্ফোরণগুলো ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইসরায়েলি মানবাধিকার কর্মী ইয়ারিভ ওপেনহাইমার বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছিল যে ইরানের অস্ত্র প্রায় শেষ হয়ে এসেছে, অথচ ইরানি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই মিথ্যাচারের জন্য ইসরায়েলি সরকারকে অবশ্যই "জবাবদিহি" করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে ওপেনহাইমার লিখেছেন, ইরানের সর্বশেষ হামলার সময় ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা বা ইন্টারসেপ্টরগুলো যে ব্যর্থ হয়েছে, কর্তৃপক্ষ তা জনসাধারণের কাছে "গোপন করছে"।
ওপেনহাইমার বলেন, “তারা আমাদের বলছে না যে ঠিক কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে ছোড়া হয়েছে, কতগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে কতগুলো লঞ্চার ধ্বংস করা হয়েছে এবং ইরানের হাতে এখনো কতগুলো লঞ্চার ও ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে।” দিমোনা ও আরাদে ইরানের হামলায় শিশুসহ ১০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হওয়ার পর এই রাজনীতিক ও মানবাধিকার কর্মী বিবৃতিটি দেন।
সূত্র : আল জাজিরা
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!