যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। রাজধানী বৈরুতসহ পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে রাতভর হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার এই ঘটনাকে ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ইসফাহান ও কেরমান শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, এরপরই সক্রিয় করা হয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তেহরান এ ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি।
এ অবস্থায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি থাকলেও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। তবে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশটির ভেতরেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। বিরোধীদলীয় নেতা ইয়াইর লাপিদ এই যুদ্ধবিরতিকে ‘কূটনৈতিক বিপর্যয়’ বলে আখ্যা দিয়ে নেতানিয়াহুর কৌশলগত ব্যর্থতার অভিযোগ তোলে।
অন্যদিকে, লেবাননে হামলার জেরে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ। একই সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি সতর্ক করে জানিয়েছে, শত্রুপক্ষ কোনো ভুল করলে তারা কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে হবে, নতুবা ইসরাইলের মাধ্যমে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ চালানোর পথ বেছে নিতে হবে।
এদিকে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে এ বিষয়ে সমন্বয় রয়েছে বলে জানান প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট। ভবিষ্যতে লেবাননকে এই চুক্তির আওতায় আনার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি।
একই বক্তব্য দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, ইরান যদি লেবানন ইস্যুতে সমঝোতা থেকে সরে আসে, তবে তা হবে বড় ধরনের ভুল।
সূত্র : এএফপি
আরবিএ/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!