লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভোরে উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব হিসেবে মানারা বসতিকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, লেবানন ও এর জনগণের ওপর ‘মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন’ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই পাল্টা আক্রমণ চলবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতির মাত্র এক দিনের মাথায় এই হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টাকে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, প্রায় নয় ঘণ্টা শান্ত থাকার পর লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। তবে আপার গ্যালিলি অঞ্চলের আকাশে সেটি প্রতিহত করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
রকেট উৎক্ষেপণের পরপরই গ্যালিলি প্যানহ্যান্ডেল এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে, এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানকে ঘিরে শুরু হওয়া উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উদ্যোগে সংঘাত নিরসনের পথ তৈরি করতে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে সেই ঘোষণার পরও বুধবার (৮ এপ্রিল) লেবাননজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
লেবানিজ সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১,১৬৫ জন আহত হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের একতরফা সামরিক পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া।
ইরান ও পাকিস্তানের কিছু কর্মকর্তা দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননও রয়েছে। তবে ইসরায়েল শুরু থেকেই বলে আসছে, লেবানন এ চুক্তির অংশ নয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সংঘাত কমার বদলে আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একদিকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, অন্যদিকে লেবানন সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। ফলে আঞ্চলিক এই উত্তেজনা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে—এমন শঙ্কা বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
আরবিএ/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!