৪৪তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ৪১৩৬ জন।
৪৪তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ৪১৩৬ জন।   ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ৪৪তম বিসিএস  পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে ৪ হাজার ১৩৬ জনকে নন-ক্যাডার পদে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দিলো। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা, ২০২৩’-এর বিধি ৬ অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধাক্রম ও পছন্দক্রম বিবেচনা করে এ মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। নবম থেকে একাদশ গ্রেডের বিভিন্ন শূন্য পদে এই নিয়োগ কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত নিয়োগ কার্যক্রম এগোবে।

নন-ক্যাডার হিসেবে মনোনীতদের বড় একটি অংশ নিয়োগ পাচ্ছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের নবম গ্রেডের পদে। এর মধ্যে খাদ্য অধিদপ্তর-এ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে ৩ জন, নিবন্ধন অধিদপ্তর-এ সাব-রেজিস্ট্রার পদে ৮ জন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এ সহকারী পরিচালক পদে ২৯ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া পাসপোর্ট অধিদপ্তর-এ ১৪ জন এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর-এ ১৯ জন ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক পদে মনোনয়ন পেয়েছেন।

দশম গ্রেডে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর অধীনে। সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে কয়েক শ প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি খাদ্য অধিদপ্তরে খাদ্য পরিদর্শক পদে ১৬৩ জন এবং মৎস্য অধিদপ্তর-এ মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পদে ১৮ জন মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে সব পদে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া সম্ভব হয়নি। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর ইন্সট্রাক্টর (কৃষি ও শারীরিক শিক্ষা)সহ কয়েকটি পদে কাউকে মনোনয়ন দেয়া যায়নি।

২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১৫ হাজার ৭০৮ জন। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন প্রায় ৪ হাজার প্রার্থী। মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্তভাবে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার দুই পর্যায়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

এমআর/আরটিএনএন