বৈশ্বিক অস্থিরতা, স্বর্ণের দাম, বাজুস,
ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা।   ফাইল ছবি

বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্য দিয়েই প্রতিনিয়ত স্বর্ণের দামের তারতম্য ঘটছে। একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা। এর আগে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্প নমনীয় হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা মূল্যবান ধাতুর পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদেও অর্থ খাটানো শুরু করেছেন। এর ফলে আজ (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। স্বর্ণের নতুন দাম শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।

এর আগে সবশেষ বুধবার (২১ জানুয়ারি) টানা ষষ্ঠ দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। ওইদিন ভরিতে ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা। যা ছিল দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দর।

নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৭ টাকা।

চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ১১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। যেখানে দাম ৮ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ৩ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এরমধ্যেই ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে মোট ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।