ঢাকা–টাঙ্গাইল–যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ।
ঢাকা–টাঙ্গাইল–যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ।   ছবি: সংগৃহীত

ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। এতে ঢাকা–টাঙ্গাইল–যমুনা সেতু মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ।

মঙ্গলবার সকাল থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। তবে কোথাও বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি।

এদিকে যমুনা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। যানজট এড়াতে মহাসড়ক পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেল থেকে সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেন সড়ক থাকায় ওই অংশে যাত্রীরা তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারছেন। তবে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সড়কের কাজ চলমান থাকায় যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ছিল ১৫ হাজার ৫৮৩টি যানবাহন। এতে টোল আদায় হয়েছে কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ২০০ টাকা। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গগামী ২০ হাজার ৭৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। খাতে টোল আদায় হয়েছে কোটি ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদযাত্রা ঘিরে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সেতুর দুই পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে দুই পাশে দুটি করে বুথ দিয়ে মোটরসাইকেল আলাদাভাবে পারাপারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে। আগে কম্পিউটারভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে টোল আদায় করা হতো। পরে সরকারের পরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে বর্তমানে চায়না রোড ব্রিজ করপোরেশন টোল আদায়ের দায়িত্ব পালন করছে।

এমআর/আরটিএনএন