এক মাস সিয়াম সাধনার পর সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর। টানা ছুটির সুযোগে আগেই রাজধানী ছেড়েছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। তবে যাদের ছুটি মেলেনি আগে, তাদের অনেকেই ঈদের দিনেই রওনা হয়েছেন বাড়ির পথে।
শনিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে ঘুরে দেখা যায়, ঈদের দিনেও যাত্রীদের আনাগোনা রয়েছে। বেশিরভাগ বাস কাউন্টার খোলা, আর কিছু যাত্রী গন্তব্যে যাওয়ার জন্য ভিড় করছেন। পরিবহন শ্রমিকদেরও দেখা যায় যাত্রী সংগ্রহে ব্যস্ত থাকতে।
যশোরগামী যাত্রী মাহফুজ আমজাদ জানান, তাদের বাড়ি চট্টগ্রামে হলেও রাতের গাড়িতে ঢাকায় এসে সেখান থেকে যশোরে যাচ্ছেন তিনি। কোনো ঝামেলা ছাড়াই কাউন্টার থেকে টিকিট পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়াগামী তুষার ও মুয়াবিয় করিম বলেন, তারা মিরপুর-১০ নম্বরের একটি দোকানে কাজ করেন। চাঁদরাতে ছুটি পাওয়ায় ঈদের দিনই বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন।
এদিকে ফরিদপুর যাবেন মুশতাক আলম রতন তিনি বলেন, তিনি পেশায় একজন নিরাপত্তাকর্মী। ঈদের আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে, তাই ছুটি পেয়েছেন দেরিতে। রাতের ডিউটি শেষ করে এখন বাড়ির পথে তিনি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের দিন হিসেবে যাত্রী তুলনামূলক কম হলেও পুরোপুরি ফাঁকা নয়। যমুনা লাইনের কাউন্টার মাস্টার মো. রনি বলেন, প্রত্যাশিত সংখ্যক যাত্রী না থাকলেও কিছু যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে।
একে ট্রাভেলস এর কাউন্টার মাস্টার মো: আযম জানান, বিশেষ করে যারা দোকান বা মার্কেটে কাজ করেন এবং আগে ছুটি পাননি, তারা ঈদের দিনই বাড়ি যাচ্ছেন। সকাল থেকেই তাদের দ্বিতীয় ট্রিপ চলমান, প্রথম ট্রিপের বাস পূর্ণ যাত্রী নিয়েই ছেড়ে গেছে।
অন্যদিকে হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার মাস্টার শফিকুল ইসলাম বলেন, যাত্রী তুলনামূলক কম এবং কিছুটা গাড়ির সংকটও রয়েছে। সব মিলিয়ে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় পরিস্থিতি কিছুটা ধীরগতির।
সবকিছু মিলিয়ে, ঈদের দিনেও রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরে ফেরার ব্যস্ততা থেমে নেই—বরং দেরিতে ছুটি পাওয়া মানুষের জন্য এই দিনই হয়ে উঠেছে প্রিয়জনের কাছে ফেরার শেষ সুযোগ।
আরবিএ/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!