জানুয়ারি মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে সম্ভবত ইসরায়েলের ধূর্ত নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হিসেবে দেখেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শেষমেশ ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান চালাতে রাজি করানো। ভেনিজুয়েলায় নিজের অভাবনীয় সাফল্যে উজ্জীবিত ট্রাম্প সম্ভবত নেতানিয়াহুর যুক্তিতে প্রভাবিত হয়েছিলেন। নেতানিয়াহু বুঝিয়েছিলেন যে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানের বর্তমান ধর্মীয় সরকার এখন সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় আছে এবং সহজেই তাদের পতন ঘটানো সম্ভব, যা ট্রাম্পকে আরেকটি দ্রুত বিজয়ের স্বাদ দেবে।
নেতানিয়াহু সম্ভবত ট্রাম্পকে এটাও বুঝিয়েছিলেন যে, গত গ্রীষ্মের ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে, শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের হত্যা করেছে এবং তাদের বিমান বাহিনী ও ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ড্রোন ভাণ্ডার শেষ করে দিয়েছে। ট্রাম্প এটাও বিশ্বাস করেছিলেন যে, বিশাল বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ১৩,০০০ কেজি ওজনের জিবিইউ-৫৭ (GBU-57 MOP) বোমা ফেলার সিদ্ধান্তে ফোরদো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরান যদি এই স্থাপনাগুলোতে কোনো ব্যালিস্টিক মিসাইল লুকিয়েও রাখে, হামলার পর সেগুলো আর ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র কি একবিন্দুতে ছিল?
ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যৌথ হামলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ইসরায়েল নিশ্চিত থাকলেও, মার্কিন সামরিক কমান্ডাররা তাৎক্ষণিক হামলার প্রয়োজন নিয়ে সন্দিহান ছিলেন; তাঁরা প্রস্তুতও ছিলেন না। যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র এক-চতুর্থাংশ জনগণ ইরানে হামলার পক্ষে ছিল। কিন্তু ট্রাম্পের শুধু নিজেকে বোঝানোর প্রয়োজন ছিল। নিকোলাস মাদুরোকে দ্রুত সরিয়ে অনুগত ডেলসি রদ্রিগেজকে ক্ষমতায় বসানোর সাফল্যে তিনি উৎসাহিত ছিলেন এবং ইরানেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চেয়েছিলেন।
ইরানে হামলা চালানো এবং শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টদের প্ররোচিত করা গত তিন দশক ধরে নেতানিয়াহুর প্রধান রাজনৈতিক ও কৌশলগত লক্ষ্য ছিল। তবে হোয়াইট হাউসে এমন কাউকে তিনি পাননি যিনি এই লক্ষ্যটি পুরোপুরি ভাগ করে নেবেন। ট্রাম্পই তাঁর প্রথম মেয়াদে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং তেল আবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস সেখানে সরিয়ে নেন।
নেতানিয়াহুর প্রভাবেই ট্রাম্প ওবামা প্রশাসনের করা ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন, যা তেহরান মেনে চলছিল। যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার পরেই ইরান অস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করে। এমনকি ২০২৩ সালে হামাসের হামলার পর গাজায় নেতানিয়াহুর নৃশংস সামরিক অভিযানকেও সমর্থন দিয়েছিলেন ট্রাম্প। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকদের ওপর নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছিলেন তিনি।
অধিকাংশ ইসরায়েলি ইরানকে তাদের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হুমকি মনে করে এবং নেতানিয়াহুর সাথে একমত যে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। আয়াতুল্লাহরা কখনোই ইসরায়েলকে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলার ইচ্ছা গোপন করেননি। পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির অধীনে ইরান হিজবুল্লাহ, হামাস এবং হুথিদের মতো ইসরায়েলবিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছে। তবে গত তিন বছরে ইসরায়েল এসব গোষ্ঠীর শক্তি খর্ব করতে এবং তাদের নেতাদের হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে।
নেতানিয়াহুর অস্বস্তিকর সময়কাল
তা সত্ত্বেও, ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযানের জন্য নেতানিয়াহুর তোড়জোড়ের সময়টি ইসরায়েলের ভেতরেও ভ্রু কুঁচকে দিয়েছে। ২০২৩ সালের হামাস হামলার নিরাপত্তা ব্যর্থতা নিয়ে তিনি তীব্র সমালোচনার মুখে ছিলেন, যে হামলায় ১,২০০ ইসরায়েলি নিহত এবং ২৫১ জন জিম্মি হয়েছিল। নেতানিয়াহু দুর্নীতির মামলার মুখোমুখি ছিলেন এবং অক্টোবরের নির্বাচনের আগে তাঁর জনপ্রিয়তা কমছিল। তাই তিনি গাজা যুদ্ধের শুরুর দিকে পাওয়া জনসমর্থন পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছিলেন।
নেতানিয়াহুর জন্য ইরান সংঘাত একটি দরকারি বিভ্রান্তি, যা গাজা যুদ্ধবিরতির পর আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। জিম্মিদের মুক্তির পর গাজায় সামরিক পদক্ষেপের যৌক্তিকতা প্রমাণ করা তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। ইসরায়েলিরা অন্তহীন যুদ্ধে ক্লান্ত, যেখানে সাধারণ নাগরিকদের রিজার্ভ সেনা হিসেবে যোগ দিতে হয়। গাজা এবং পশ্চিম তীরের বসতি নিয়ে নেতানিয়াহুর নীতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসরায়েলকে কোণঠাসা করেছে।
তবে যুদ্ধের সময় যেমন হয়, নেতানিয়াহু আবারও সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে দেশবাসীকে এক করতে সক্ষম হয়েছেন। ইরানের প্রক্সিদের মিসাইল হামলার শিকার হয়ে ইসরায়েলিরা এখন ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস এবং তেহরানে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে। এই শতাব্দীতে ইরান ও তাদের প্রক্সিরা অন্তত ৩,৫০০ ইসরায়েলিকে হত্যা করেছে। গত মাসে এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৯% ইসরায়েলি ইরানের ওপর মার্কিন হামলার পক্ষে।
আমেরিকানরা এই যুদ্ধ সমর্থন করছে না
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে চিত্রটি ভিন্ন। ইসরায়েলের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে একমত পোষণকারী মার্কিনিদের সংখ্যা আগের চেয়ে কমেছে। ইরানে বর্তমান সামরিক অভিযান শুরুর প্রাক্কালে গ্যালাপের এক জরিপে দেখা গেছে, ইসরায়েলিদের চেয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি মার্কিনিদের সহানুভূতি বেশি। জরিপ অনুযায়ী, ৪১% উত্তরদাতা ফিলিস্তিনিদের প্রতি এবং ৩৬% ইসরায়েলিদের প্রতি সহানুভূতিশীল।
এটিই প্রথম বড় কোনো সামরিক সংঘাত যেখানে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষে জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নেই। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাত্র ৪১% মার্কিন জনগণ এই যুদ্ধ সমর্থন করছে। এমনকি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধ, যেখানে সাদ্দাম হোসেনের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছিল, সেখানেও ৭৬% আমেরিকানের সমর্থন ছিল।
পাওয়েল ডকট্রিনকে বিদায়
প্রয়াত কলিন পাওয়েল, যিনি ১৯৯১ সালের প্রথম ইরাক যুদ্ধের সময় মার্কিন জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ছিলেন, একটি যুদ্ধনীতি (ডকট্রিন) তৈরি করেছিলেন। তাতে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ হওয়া উচিত সর্বশেষ উপায়—রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সব চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর। যদি যুদ্ধে যেতেই হয়, তবে স্পষ্ট লক্ষ্য, জনসমর্থন এবং সরে আসার কৌশল থাকতে হবে। বর্তমান ইরান যুদ্ধ ছাড়া প্রায় সব সামরিক অভিযানেই এই নীতি মানা হয়েছিল।
এই যুদ্ধের কোনো স্পষ্ট লক্ষ্য, জনসমর্থন বা সরে আসার কৌশল নেই। ট্রাম্প জনগণকে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন মনে করেননি কেন এখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জরুরি। সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে তিনি তাঁর লক্ষ্যও বারবার পরিবর্তন করেছেন—সরকার পরিবর্তন থেকে শুরু করে সামরিক বাহিনী ধ্বংস, এরপর পূর্ণ আত্মসমর্পণ এবং শেষে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগে নিজের সম্পৃক্ততার দাবি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ অভিযান প্রথম দিনেই বড় সাফল্য পায়, যখন তারা আলী খামেনি এবং আইআরজিসি-র ডজনখানেক সিনিয়র কর্মকর্তাকে হত্যা করে। বিপুল বিমান শক্তির মাধ্যমে তারা ইরানের বহু সামরিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম হয়।
একমাত্র ইরানেরই যুদ্ধের পরিকল্পনা আছে বলে মনে হচ্ছে
ট্রাম্প আশা করেছিলেন ভেনিজুয়েলার পরিকল্পনাই এখানে খাটবে। কিন্তু ইরানের পাল্টা জবাব তাঁর উৎসাহে জল ঢেলে দিয়েছে এবং মার্কিন পরিকল্পনায় ঘাটতি উন্মোচন করেছে। ইরানের ইসলামি সরকার ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আলী খামেনি এমন এক কৌশল তৈরি করেছিলেন, যাতে তাঁর মৃত্যু বা কেন্দ্রীয় কমান্ড ভেঙে পড়ার পরও মাঠ পর্যায়ের কমান্ডাররা হামলা চালিয়ে যেতে পারেন।
যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই ইরান তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে—সংঘাতকে শত্রুর দিকে ঠেলে দেওয়া, উত্তেজনা বাড়ানো এবং তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি করা। মার্কিন সেনাবাহিনী এখন স্বীকার করছে যে তারা ইরানকে অবমূল্যায়ন করেছিল। রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে ইরান নিজের ভূখণ্ড ও ইসরায়েলের বাইরেও ডজনখানেক উপসাগরীয় দেশে সংঘাত ছড়িয়ে দিয়েছে, যা তাদের স্থিতিশীলতাকে হুমকি দিচ্ছে। উপসাগরীয় দেশগুলো পাল্টা হামলা করতে পারছে না, কারণ তাদের জনগণ এটিকে মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও আমেরিকার পক্ষ নেওয়া হিসেবে দেখবে।
পেন্টাগনের মতে, মাত্র ছয় দিনে ইরানে যুদ্ধের খরচ ১১.৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে পতন ঘটছে। অর্থনীতিবিদরা ইতিমধ্যেই উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং মন্দার সতর্কতা দিচ্ছেন।
এটি কি ট্রাম্পের জন্য ভিয়েতনাম হতে যাচ্ছে?
ট্রাম্প এখন মনে হচ্ছে সরে আসার পথ খুঁজছেন। সোমবার তিনি বাজার শান্ত করতে বলেছেন, মার্কিন বাহিনী "সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে" এবং যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে। কিন্তু তেহরান ঘোষণা দিয়েছে, যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা তারাই ঠিক করবে। এমনকি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও মনে করে, ইরানের হাতে এখনো অন্তত এক-চতুর্থাংশ ব্যালিস্টিক মিসাইল রয়েছে। ইসরায়েলি অনুমান অনুযায়ী, ইরানের ৪ লাখ নিয়মিত সেনা এবং ১ লাখ ২৫ হাজার রিপাবলিক গার্ডের মধ্যে মাত্র কয়েক হাজার নিহত হতে পারে।
ইরানের কৌশল ট্রাম্প এবং কিছুটা নেতানিয়াহুকেও উভয়সঙ্কটে ফেলেছে। তাঁরা ইরানের প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। ইরান যেভাবে সংঘাত বাড়াচ্ছে, তাতে দুই নেতা এমন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারেন যা আরেকটি ভিয়েতনাম হয়ে উঠতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক পরিকল্পনার জন্য সুবিধাজনক হতে পারে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি হবে বিপর্যয়।
ইরানের ‘আনুভূমিক উত্তেজনা বৃদ্ধি’
শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও হুমকি বিষয়ক প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক রবার্ট পেপের মতে, ইরান ‘আনুভূমিক উত্তেজনা বৃদ্ধি’র কৌশল প্রয়োগ করছে। ‘ফরেন অ্যাফেয়ার্স’ জার্নালে তিনি লিখেছেন, এই কৌশল তখনই ঘটে "যখন কোনো রাষ্ট্র একটি নির্দিষ্ট রণাঙ্গনে যুদ্ধের তীব্রতা না বাড়িয়ে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে সংঘাতের পরিধি বাড়িয়ে দেয়।"
উত্তর ভিয়েতনাম এবং ভিয়েতকং বাহিনী ১৯৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই কৌশল ব্যবহার করেছিল। ফলাফল ছিল, প্রায় সব যুদ্ধে জিতলেও আমেরিকা ভিয়েতনাম যুদ্ধে হেরেছিল। জেনারেল কলিন পাওয়েলের ডকট্রিনের লক্ষ্য ছিল আরেকটি ভিয়েতনাম এড়ানো। কিন্তু ট্রাম্প তাঁর স্বভাব অনুযায়ী এমন নীতি মানার পাত্র নন।
আরও একবার, মাঠের বাস্তবতায় ট্রাম্পের আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহু তাঁর রাজনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নে ট্রাম্পকে ব্যবহার করে যা চেয়েছিলেন তা পেয়েছেন। কিন্তু ইরানের শর্তে যুদ্ধ যত বাড়বে, ইসরায়েলও তত হারবে। তাদের একঘরে দশা বাড়বে, অর্থনীতি আরও অস্থির হবে এবং ইসরায়েলি জনগণ আরও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।
সূত্র : এনডিটিভি
আরটিএনএন/এআই
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!