রাজনীতি, সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, চরমোনই পীর, ঈদের সুভেচ্ছা,
চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।   ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘রমজানের পুরোটা মাসজুড়ে আমরা সিয়াম-সাধনা করেছি। তাকওয়া অর্জনের চেষ্টা করেছি, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা এবং নেকির কাজ বেশি বেশি করার চেষ্টা করেছি। এর ফলে ব্যক্তি জীবনে একধরনের শুদ্ধতা এসেছে। 
জাতীয় জীবনেও শরিয়াহ পালনের প্রতি আগ্রহ ও অভ্যস্ততা তৈরি হয়েছে। ঈদের পরেও ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারলে প্রকৃত সফলতা আসবে।’

তিনি বলেন, ‘ঈদ একটি ধর্মীয় ইবাদত। হজরত ওমর (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) গুনাহ মাফ না হওয়ার ভয়ে ঈদের দিন কান্না করতেন। তাই ঈদ পালনে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করতে হবে। ভিনদেশি অপসংস্কৃতি যাতে ঈদের উৎসবে প্রবেশ না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদ বাঙালির হাজার বছরের চর্চিত একটি প্রধান উৎসব। অতীতের সুলতানি ও মুঘল আমলের ঐতিহ্য মিশে আছে এই উৎসবের সঙ্গে। ঈদকে সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।’

দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ‘সমাজের গরিব-দুঃখীদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সামাজিকতার কারণে যারা দারিদ্র্যকে আড়াল করে রাখে, তাদের পাশেও দাঁড়াতে হবে। সমাজের একজন ব্যক্তিও যেন উৎসবের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়—সে বিষয়ে সবাই সচেষ্ট হলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ঈদ আমরা উদযাপন করতে পারব।’