দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সরকারে সাম্প্রতিক নিয়োগকে ‘ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, সম্প্রতি দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা উচ্চশিক্ষার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। বিশেষ করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
নেতৃবৃন্দের দাবি, এ ধরনের নিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করবে এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত করতে পারে।
একইসঙ্গে ১১টি সিটি করপোরেশন ও ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নিয়েও সমালোচনা করে ছাত্রশিবির। তাদের অভিযোগ, এসব পদে যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ক্ষুণ্ণ করতে পারে।
বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সরকারে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পরিবর্তে প্রশাসক নিয়োগ গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, অতীতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণের মাধ্যমে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সিদ্ধান্তগুলো সেই ধারার পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দেয়। এতে জনমনে বৈষম্য ও হয়রানির আশঙ্কা বাড়ছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, একটি জবাবদিহিতামূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কিত উপাচার্য নিয়োগ এবং স্থানীয় সরকারে দলীয় প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
বিবৃতিটি পাঠান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!