স্বাধীনতা দিবস
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।   ছবি: সংগৃহীত

দেশের মানচিত্র আর পতাকার হাত ধরে বাংলাদেশ বদলে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছরে তা হয়নি দুর্নীতি আর অযোগ্যতার কারণেই তার সম্ভব হয়নি

দুই দুইবার স্বাধীনতা অর্জন করেও নেতৃত্বের ব্যর্থতা, লোভ ও দুর্নীতির কারণে এ ভূখণ্ডের মানুষ স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। 

দুর্নীতি আর অযোগ্য নেতৃত্ব যতক্ষণ না পর্যন্ত সমাজ থেকে দূর হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এদেশের মানুষ স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারবে না। 

শাসক বদলেছে কিন্তু শাসকের শোসন করার ধারা বদলাইনি।  এই নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আমাদের অনেক কষ্ট আছে তবে আমাদের দেশটা গণতান্ত্রিক ভাবে সামনের দিকে চলুক  আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যাবে । 

সরকার ভালো করলে সহযোগিতা করবে বিরোধী দল আর মন্দ কিছু করলে তাদের লাগাম ধরে টান দেওয়া হবে। 

জনগণের অধিকারের সাথে যারা ছিনিমিনি খেলবে তাদের সাথে বিরোধী দল কোন আপোষ করবে না। 

সরকার কে সংকীর্ণতা থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান।  
ব্যর্থতা চাইলে রাস্তায় নেমে আগুন জালানো শুরু করতো বিরোধী দল  কিন্তু আমরা তা চাইনা।

সংস্কারের বিষয়ে সমাধান না হলে রাজপথ বেছে নেবে বিরোধী দল। 

যদি এই সংস্কারকে মেনে না নেওয়া হয় তাহলে ১৪০০ শহিদ কে অপমান করা হবে শহিদ  হাদীকে,  আবরার ফাহাদকে ও ফেলানীকে অপমান করা হবে।

নতুন করে ফ্যাসিবাদ কেউ কায়েম করতে চাইলে দেশবাসীকে সাথে  নিয়ে  সেই ফ্যাসিবাদকে রুখে দেওয়া হবে।