মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়াম
মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়াম।   ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তাজনিত কারণে নারী প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) দুটি ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচ দুটিতে গ্যালারিতে কোনো দর্শক প্রবেশের অনুমতি থাকবে না।

ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে ১৫ জানুয়ারি বৃহন্মুম্বই পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। 

নির্বাচনের আগের দিন (১৪ জানুয়ারি) ও ভোটের দিন (১৫ জানুয়ারি) পুলিশের ওপর অতিরিক্ত চাপ থাকায় স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না, এমন আশঙ্কার কথা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর খেলোয়াড়, টিম অফিসিয়াল ও ম্যাচ সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে দর্শক ছাড়াই ম্যাচ আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় বিসিসিআই। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন নিশ্চিত করা সম্ভব না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ১৪ জানুয়ারি মুখোমুখি হবে দিল্লি ক্যাপিটালস ও ইউপি ওয়ারিয়র্স। পরদিন ১৫ জানুয়ারি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে মাঠে নামবে দিল্লি ক্যাপিটালস। নারী আইপিএলের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই গ্যালারির সমর্থন ছাড়াই লড়াই করতে হবে ক্রিকেটারদের।

এদিকে ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ম্যাচ নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ওই দিন দর্শকদের মাঠে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি বিসিসিআই। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই ম্যাচের টিকিট বিক্রি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি জমকালো উদ্বোধনী আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এবারের নারী আইপিএলের আসর। দর্শকশূন্য ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্তে সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা হতাশা থাকলেও, আয়োজকরা বলছেন- খেলোয়াড় ও দর্শকদের নিরাপত্তাই তাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।