খেলা, ফুটবল, আর্জেন্টিনা, মেসি, বিশ্বকাপ, বিশ্বকাপ ফুটবল, ইউরোপিয় দল, ইউরোপ, ইউরোপীয় দল ছাড়াই বিশ্বকাপে খেলবে আর্জেন্টিনা
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল।   ছবি: সংগৃহীত

ফিনালিসিমা ম্যাচ বাতিল হওয়ায় এক বিরল ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের আগে কোনো ইউরোপীয় দলের মুখোমুখি না হয়েই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাচ্ছে তারা।

মূলত দোহায় ২৭ মার্চ স্পেন জাতীয় দলের বিপক্ষে ফিনালিসিমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উয়েফা সেটি বাতিল করায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

বিশ্বকাপ-চক্র বলতে এক বিশ্বকাপ থেকে পরবর্তী বিশ্বকাপ পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। কাতারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনা কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে খেলেনি। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুরুর আগে ৩১ মার্চ গুয়াতেমালার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেই তারা প্রস্তুতি শেষ করবে।

আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর এবারই প্রথম এমন ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে—যেখানে পুরো বিশ্বকাপ-চক্রে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের মুখোমুখি না হয়েই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।

সবশেষ ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে তারা খেলেছিল ২০২২ সালের ৫ জুন, এস্তোনিয়ার বিপক্ষে। সেই ম্যাচে লিওনেল মেসি একাই করেছিলেন পাঁচ গোল।

কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর এখন পর্যন্ত ৩৫টি ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে অধিকাংশই দক্ষিণ আমেরিকার দলের বিপক্ষে। এছাড়া মধ্য ও উত্তর আমেরিকার দল, এবং এশিয়া, আফ্রিকা ও ওশেনিয়ার কিছু দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছে তারা। তবে ইউরোপীয় কোনো দলের মুখোমুখি হয়নি।

এর আগে প্রায় প্রতিটি বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে একাধিক ম্যাচ খেলেছে। যেমন ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপের আগে ২২টি এবং ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের আগে ১২টি ম্যাচ। এমনকি ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আগের চার বছরে তিনটি ম্যাচ খেলেছিল ইউরোপীয় দলের সঙ্গে।

ফিনালিসিমা বাতিল হওয়ায় এবার একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে নামতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা—যা ফুটবল ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরবিএ/আরটিএনএন