অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক অ্যাশেজ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর নিজেদের মাঠে দু’বার ২-২ সমতায় শেষ করলেও, অস্ট্রেলিয়ায় তিনবারই সিরিজ হারতে হয়েছে। এছাড়া ভারতের বিপক্ষে ২০১৮ সালের পর ইংলিশরা কোনো টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি। এই দুই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সিরিজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গুল্ড। তবে বাংলাদেশ সিরিজও তাদের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত।
গুল্ড জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডকে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে যথাযথ ‘দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি’ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “আমাদের অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে। অ্যাশেজ জয় এবং ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ই আমাদের মূল লক্ষ্য। তাই এসব বড় সিরিজের জন্য সঠিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।”
২০১৮ সালে সর্বশেষ ভারতের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল ইংল্যান্ড। তবে অস্ট্রেলিয়ায় সর্বশেষ অ্যাশেজে তারা ৪-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়। বোর্ড প্রধান রিচার্ড গুল্ড নিশ্চিত করেছেন, রবি কি, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও বেন স্টোকস যথাক্রমে ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান কোচ ও টেস্ট অধিনায়ক পদে বহাল থাকবেন।
গুল্ড আরও জানান, ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে সিরিজের আগে স্পষ্ট প্রস্তুতির সময়সূচি নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করা হয়েছে এবং ‘বিগ থ্রি’ (ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড) বোর্ডগুলোর প্রতি টেস্ট ক্রিকেটকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইসিবি সভাপতি রিচার্ড গুল্ড।
ইসিবি সভাপতি বলেছেন, “আমাদের পরিকল্পনার ধরণ আরও উন্নত করতে হবে। আগামী অ্যাশেজ (২০২৯-৩০) নিয়ে ইতোমধ্যেই পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। প্রথম টেস্ট কোথায় হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে নিশ্চিত করব দল যথেষ্ট প্রস্তুতি পাবে। ইংল্যান্ড, ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে একসঙ্গে কাজ করে খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।”
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তিনটি চক্র শেষ হলেও ইংল্যান্ড কোনো ফাইনাল খেলতে পারেনি। তাই বোর্ডের ফোকাস শিরোপার চেয়ে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়কে দেওয়া হয়েছে। গত চার বছরে ইংল্যান্ডে টেস্ট ক্রিকেটের দর্শকসংখ্যা গড়ে ২৫ শতাংশ বেড়েছে, অস্ট্রেলিয়া সিরিজে তা ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছে।
২০২৬-২৭ মৌসুমে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে টেস্ট সিরিজ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে। গুল্ড বলেন, “এটা পুরোপুরি নতুন করে শুরু করার সময় নয়। গত চার বছরে টেস্ট ক্রিকেট যে অবস্থানে এসেছে, তা বিবেচনায় রেখে শেখা এবং এগিয়ে যেতে হবে।” আগামী গ্রীষ্মে ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে। এরপর ২০২৬-২৭ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা (৩ টেস্ট), বাংলাদেশ (২ টেস্ট) ও অস্ট্রেলিয়া (১ টেস্ট) সফর করবে। ২০২৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজে ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার লক্ষ্য থাকবে, যেখানে তারা ১২ বছরের মধ্যে প্রথমবার অ্যাশেজ জয়ের মিশনে নামবে।
আরবিএ/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!