বাংলাদেশের স্পিন-সহায়ক উইকেটের কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি সেরে এসেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।
বাংলাদেশের স্পিন-সহায়ক উইকেটের কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি সেরে এসেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।   ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্পিন-সহায়ক উইকেটের কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি সেরে এসেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। তিন সপ্তাহের সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে সোমবার রাতে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা কিউইদের।

গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে স্পিনবান্ধব উইকেটে সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। তবে সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে ছিল তুলনামূলকভাবে স্পোর্টিং ও প্রাণবন্ত উইকেট। আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজে কন্ডিশন কেমন হবে, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

তবে সম্ভাব্য স্পিন-চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে সফরকারীরা। দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম ল্যাথাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সফরের কন্ডিশন সম্পর্কে তারা সচেতন এবং মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

ল্যাথাম বলেন, “উইকেট কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। আগের ম্যাচগুলো বিশ্লেষণ করে আমরা যতটা সম্ভব তথ্য নিই। বাংলাদেশে স্পিন বড় ভূমিকা রাখে—এটা আমরা জানি। তাই ভিন্ন কন্ডিশনের জন্য প্রস্তুত থাকা জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ বা অপরিচিত কন্ডিশনে গেলে শুরুটা ভালো করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত মানিয়ে নিতে পারলে ম্যাচে বড় পার্থক্য গড়ে যায়।”

আইপিএল ও পিএসএলের কারণে প্রথম সারির প্রায় ১৫–১৬ জন ক্রিকেটারকে ছাড়াই বাংলাদেশে এসেছে নিউজিল্যান্ড। ফলে তুলনামূলকভাবে কম অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়েই গড়া হয়েছে এই স্কোয়াড।

এ প্রসঙ্গে ল্যাথাম বলেন, “দলে কিছু খেলোয়াড় আছে যাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা তুলনামূলক কম। তবে সবাই কোনো না কোনো পর্যায়ে নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলেছে। এই সফর তাদের জন্য বড় সুযোগ।”

তিনি যোগ করেন, “যত বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা তারা পাবে, ততই দলের গভীরতা বাড়বে।”

আগামী শুক্রবার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর সিরিজের পরবর্তী ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। শেষ টি-টোয়েন্টি দিয়ে আবারও মিরপুরে ফিরবে দুই দল।

সফর নিয়ে আশাবাদী ল্যাথাম বলেন, “এটি একটি রোমাঞ্চকর সফর হবে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে আমাদের জন্য ভালো শেখার সুযোগ রয়েছে। আমরা এই চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছি।”

 নিউজিল্যান্ডের ওয়ানডে স্কোয়াড

টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ আব্বাস, আদিত্য অশোক, বেন লিস্টার, জশ ক্লার্কসন, ড্যান ক্লিভার, ডিন ফক্সক্রফট, নিক কেলি, জেডেন লেনক্স, উইল ও’রুর্ক, বেন সিয়ার্স, হেনরি নিকোলস, নাথান স্মিথ, ব্লেয়ার টিকনার, উইল ইয়াং।

 টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড

টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), কাটেন ক্লার্ক, বেন লিস্টার, জশ ক্লার্কসন, ড্যান ক্লিভার, ম্যাট ফিশার, ডিন ফক্সক্রফট, বেভন জ্যাকবস, নিক কেলি, জেডেন লেনক্স, টিম রবিনসন, বেন সিয়ার্স, নাথান স্মিথ, ইশ সোধি, ব্লেয়ার টিকনার।