রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক পক্ষের বাগানের গাছপালা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। জমি দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক গাছ কেটে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের আরকান্দি গ্রামের প্রয়াত রুস্তম আলীর ছেলের সঙ্গে একই গ্রামের প্রয়াত খোরশেদ আলীর ছেলেদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও খোরশেদ আলীর ছেলেরা জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) জমি দখলের উদ্দেশ্যে বাগানের ২৩টি মেহগুনি গাছ ও ২০টি বাঁশ কেটে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আদালতে মামলা দায়ের করেছেন রুস্তম আলীর ছেলে মো. সোহরাব হোসেন।
মামলার আসামিরা হলেন— মৃত খোরশেদ আলীর ছেলে মো. টিপু সুলতান (৫০), মো. হেলাল উদ্দিন (৪৩), মো. জালাল মোল্লা (৫০), মৃত মোনসের আলী মোল্লার ছেলে মো. সাহেব আলী মোল্লা (৬০), জালাল মোল্লার ছেলে জাহিদ মোল্লা (২৩), মৃত মতিয়ার হোসেনের ছেলে মো. হিরু মোল্লা (৪৫), মো. ফিরোজ হায়দার (৪০), মো. সুরুজ হোসেন (৩৮), খোরশেদ শেখের ছেলে মিঠু শেখ (৫৫), টুকু শেখ (৪৫) এবং সাহেব আলী মোল্লার ছেলে মো. মনোয়ার হোসেন (৪০)। তারা সবাই মৃগী ইউনিয়নের আরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদীর নিকট আত্মীয়।
বাদী মো. সোহরাব হোসেন জানান, আরকান্দি মৌজার আর.এস. ৪৭ নম্বর খতিয়ানের ৩৮১ ও ৩৬৮ এবং বি.এস. ১২৪ নম্বর খতিয়ানের ৪৩০ ও ৪৩৫ নম্বর দাগের জমি তারা পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে প্রায় ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে এওয়াজ সূত্রে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে বাগান, পুকুর ও পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। সম্প্রতি বাগানের বড় গাছগুলো দেখে আসামিরা এওয়াজ ভঙ্গ করে গাছ কাটার চেষ্টা করলে তিনি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। এরই মধ্যে গত ৫ মার্চ দুপুরে তার অনুপস্থিতিতে আসামিরা বাগান থেকে ২৩টি মেহগুনি গাছ ও ২০টি বাঁশ কেটে নিয়ে যায়। পরে বিভিন্নভাবে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে দায়ের করা দেওয়ানি মামলার প্রেক্ষিতে মৃগী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা প্রায় ছয় মাস আগে নালিশি জমিতে মেহগনি গাছ রোপণ করেছে। তবে তার আগেই ওই জমিতে বাদী ফল ও কাঠের গাছ রোপণ করে রেখেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!