নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও নিবিড় তদারকির সুফল পেতে শুরু করেছেন স্থানীয় কয়েক হাজার খামারি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের আন্তরিক প্রচেষ্টায় গবাদিপশুর মড়ক কমে আসার পাশাপাশি দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সরেজমিনে বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, প্রতিদিন সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে খামারিরা তাদের গবাদিপশু নিয়ে এখানে আসছেন।
বর্তমানে দপ্তরের পক্ষ থেকে পশুর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খুরা রোগ, তড়কা ও পিপিআর-এর মতো মরণব্যাধি প্রতিরোধে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে। খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে গিয়ে নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করছেন।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের খামারি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “আগে সঠিক চিকিৎসার অভাবে অনেক সময় পশুর মড়ক দেখা দিত, যা আমাদের পথে বসিয়ে দিত। কিন্তু এখন প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজন নিয়মিত আমাদের খোঁজ নেন। কোনো সমস্যা হলে ফোন দিলেই পরামর্শ পাই। সময়মতো ভ্যাকসিন পাওয়ায় এখন পশুর অসুখ-বিসুখ অনেক কম।”
আরেক নারী উদ্যোক্তা জানান, প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরামর্শে উন্নত জাতের ঘাস চাষ এবং সুষম খাদ্যের ব্যবহার শুরু করার পর তাঁর খামারে দুধের উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের এ ধরনের কর্মতৎপরতা অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চলে গবাদিপশু পালনে এক ‘নীরব বিপ্লব’ ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিপা রাণী (ইউএলও) বলেন, “আমরা খামারিদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। আমাদের টিম নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি করছে এবং খামারিদের পশুপালনে উদ্বুদ্ধ করছে। পশুর রোগ নিয়ন্ত্রণ ও উৎপাদন বাড়াতে আমাদের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। আমরা চাই বদলগাছীকে একটি আদর্শ প্রাণিসম্পদ জোন হিসেবে গড়ে তুলতে।”
খামারিদের এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!