নববর্ষ ঘিরে চারুকলায় ব্যস্ততা, প্রস্তুত হচ্ছে পাঁচ মোটিফ
বৈশাখী শোভাযাত্রার প্রস্তুতিতে দম ফেলার সময় নেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।   ছবি: আরটিএনএন

বাংলা নববর্ষ আসতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। দেশের সবচেয়ে বর্ণিল বর্ষবরণ উৎসবকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে এখন সৃষ্টির উল্লাস। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিতে বৈশাখী শোভাযাত্রার প্রস্তুতিতে দম ফেলার সময় নেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। এবারের আয়োজনে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে তৈরি হচ্ছে পাঁচটি বিশেষ মোটিফ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, পুরো চত্বর যেন এক বিশাল কর্মশালা। শিক্ষার্থীরা রঙ-তুলি আর বাঁশ-কাগজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ বানাচ্ছেন বিশালকায় কাঠামো, কেউ আবার সরাচিত্রে দিচ্ছেন শেষ আঁচড়।

প্রতি বছরের মতো এবারও লোকজ ঐতিহ্যের ছোঁয়া থাকছে শোভাযাত্রার কাঠামোতে। এখন পর্যন্ত নির্মাণকাজে দৃশ্যমান হয়েছে:

এ পর্যন্ত নির্মাণকাজে দৃশ্যমান হয়েছে মোরগ, হাতি ও ‘সুখের পায়রা’। পাশাপাশি থাকছে ঐতিহ্যবাহী টেপা পুতুল। চলমান সামাজিক প্রেক্ষাপটকে প্রতিফলিত করে বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে ‘একতারা’—যা এবারের শোভাযাত্রায় একটি বিশেষ বার্তা বহন করবে।

এবারের বর্ষবরণ আয়োজনের মূল দায়িত্বে রয়েছে চারুকলা অনুষদের ৭১তম ব্যাচ। তবে সিনিয়র-জুনিয়র ভেদাভেদ ভুলে সাবেক ও বর্তমান অনেক শিক্ষার্থীই স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে হাত লাগিয়েছেন এই মহাযজ্ঞে।

আমরা দিন-রাত কাজ করছি যেন দেশবাসীকে একটি সুন্দর শোভাযাত্রা উপহার দিতে পারি। প্রতিটি মোটিফ শুধু শিল্পের অংশ নয়, বরং আমাদের বর্তমান সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন।