সম্প্রতি বলিউডে ‘আট ঘণ্টার শিফট’ বিতর্ক নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বড় তারকাদের, যেমন দীপিকা পাডুকোনের মতো, নির্দিষ্ট সময়সূচির বাইরে কাজ করতে অনীহা দেখানোর বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছে। এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন পরিচালক মোহিত সুরি, যিনি ‘আশিকি ২’ ও ‘সাইয়ারা’ ছবির জন্য পরিচিত।
ভ্যারাইটি ইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপকালে মোহিত সুরি বলেন, “কিছু পরিস্থিতিতে অভিনেতাদের দিয়ে টানা ২৪ ঘণ্টা শুটিং করানো প্রয়োজন হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে আমি বলব, যখন আমরা ‘আওয়ারাপান’ এর শুটিং করছিলাম, একটি ব্যয়বহুল লোকেশন মাত্র ২৪ ঘণ্টার জন্য পাওয়া গিয়েছিল। সেই সময় অভিনেতা ইমরান হাশমি আমার সঙ্গে পুরো ২৪ ঘণ্টা কাজ করেছিলেন।”
মোহিত সুরি মনে করেন, বর্তমানে কাজের সময় নিয়ে আলোচনাগুলো খুব বেশি ‘অভিনেতা-কেন্দ্রিক’ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, সাধারণভাবে একটি শুটিং ইউনিট ১২ ঘণ্টার শিফটে কাজ করলেও মালামাল লোডিং-আনলোডিং মিলিয়ে তাদের ১৪-১৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়।
তিনি আরও বলেন, “ইউনিটের ড্রাইভাররা পর্যাপ্ত ঘুম না করলে গাড়ি চালানোর সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সহকারী পরিচালক হিসেবে আমি দেখেছি, শুটিং শেষে যখন অভিনেতারা চলে যান, লাইটম্যান বা ড্রেস দাদারা বৃষ্টির মধ্যেও কাজ গুছিয়ে নেয়। তাদের পরিশ্রমের কথা কেউ ভাবেনা। আমরা শুধু অভিনেতাদের ঘুমের দিকে মনোযোগ দিই।”
মোহিত সুরি স্পষ্টভাবে বলেন, “আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত সেই লাইটম্যান, স্পটবয়দের নিয়ে, যারা শেষ পর্যন্ত কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরে। যদি কোনো অভিনেতা ৮ ঘণ্টার মধ্যে কাজ শেষ করতে চান এবং তার ফলে পুরো ইউনিট দ্রুত ছুটি পায়, তাতে কোনো সমস্যা নেই। এটিকে ‘ইগো’-র লড়াই হিসেবে না দেখে সবার জন্য সুস্থ কর্মপরিবেশ তৈরির সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত।”
উল্লেখ্য, মোহিত সুরি বর্তমানে পরবর্তী ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে ব্যস্ত। তার সর্বশেষ ছবি ‘সাইয়ারা’ এর মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছে আহান পান্ডে ও অনীত পাড্ডার।
সূত্র: ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া
সিমু/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!