ঈদে ব্যাংক বন্ধ থাকলেও লেনদেন থাকবে ডিজিটাল ও এটিএমের মাধ্যমে।
ঈদে ব্যাংক বন্ধ থাকলেও লেনদেন থাকবে ডিজিটাল ও এটিএমের মাধ্যমে।   ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের কারণে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান টানা সাত দিন বন্ধ থাকলেও নগদ ও ডিজিটাল লেনদেন বন্ধ হবে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ রাখার পাশাপাশি পিওএস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) চালু রাখার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

মূল বিষয়গুলো:

এটিএম ও পিওএস: ব্যাংক বন্ধ থাকা সত্ত্বেও এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে। পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) ব্যবহার করেও কেনাকাটা ও লেনদেন করা সম্ভব।

ডিজিটাল লেনদেন: বিকাশ, নগদ, রকেটসহ মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ও জমা দেওয়া চালু থাকবে। ব্যাংকের নিজস্ব অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকরা এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠাতে পারবেন।

পর্যাপ্ত নগদ সরবরাহ: ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ঈদের আগে ও চলাকালীন সময়ে এটিএম বুথে যথেষ্ট নগদ রাখতে হবে।

বিকল্প ব্যবস্থা:

অধিকাংশ ব্যাংক এখন এটিএমের পরিবর্তে ক্যাশ রিসাইকেল মেশিন (সিআরএম) স্থাপন করেছে। এই মেশিন থেকে টাকা উত্তোলন ও জমা দেওয়া যায়।

দেশে বর্তমানে ১২ হাজার ৭১৩টি এটিএম বুথ, ৮ হাজার ৪৮৩টি সিআরএম এবং ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৩টি পিওএস বুথ রয়েছে।

নতুন গ্রাহকদের সব ব্যাংকই এটিএম কার্ড প্রদান করছে। একজন গ্রাহকের একাধিক ব্যাংকের কার্ড থাকার কারণে নগদ লেনদেন সহজ হচ্ছে।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এমএফএস:

ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে বর্তমানে ১ কোটি ২৫ লাখ গ্রাহক নিবন্ধিত।

গত জানুয়ারিতে এই সেবার মাধ্যমে এক লাখ কোটি টাকার বেশি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।

জনপ্রিয় সেবা হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন, ডাচ্–বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস পে, ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা, সিটি ব্যাংকের সিটিটাচ, ঢাকা ব্যাংকের গো প্লাস, ইস্টার্ন ব্যাংকের স্কাই ব্যাংকিং, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমটিবি নিও।

ব্যানকিং খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের সময় নগদ প্রয়োজন হলে এটিএম ও এমএফএস ব্যবহারে কোনো অসুবিধা হবে না। এছাড়া বন্ধকালে অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেনও অব্যাহত থাকবে।