ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও বেড়েছে। রবিবার তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মানের তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ বেড়ে ১০২ ডলারে পৌঁছেছে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দামও ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর প্রভাব বিশ্ব শেয়ারবাজারেও পড়েছে এবং বাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেল ১০২ দশমিক ২৯ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার। যুদ্ধের প্রভাবে বিভিন্ন সময়ে তা ১১৯ ডলারও ছাড়িয়ে যায়। এর আগে শুক্রবার তেলের দাম কিছুটা কমে ব্যারেল প্রতি ৯৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমেছিল।
গেল সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি প্রত্যাহার করে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় সম্মত হলে তেলের দাম কিছুটা কমেছিল। তবে স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় এবং নতুন করে উত্তেজনা বাড়ায় দাম আবার বেড়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য তারা প্রতি জাহাজে প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত টোল আদায় করছে। গত মার্চ পর্যন্ত দেশটি প্রতিদিন গড়ে ১৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে, যা আগের সময়ের তুলনায় বেশি।
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রণালির দিকে আসা যেকোনো সামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে এই নৌ অবরোধ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে সেখানে প্রতি গ্যালন জ্বালানির গড় মূল্য ৪ দশমিক ১২ ডলার, যা সংঘাত শুরুর পর থেকে ৩৮ শতাংশ বেড়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!