পবিত্র হজ পালনের জন্য নির্দিষ্ট হজ ভিসা ব্যতীত অন্য কোনো ভিসাকে বৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে না ।
পবিত্র হজ পালনের জন্য নির্দিষ্ট হজ ভিসা ব্যতীত অন্য কোনো ভিসাকে বৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে না ।   ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজ পালনের জন্য নির্দিষ্ট হজ ভিসা ব্যতীত অন্য কোনো ভিসাকে বৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

রবিবার (১২ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, হজ পালনের জন্য সরকারিভাবে অনুমোদিত একমাত্র বৈধ উপায় হলো হজ ভিসা।

এর ফলে ভিজিট ভিসা, ট্রানজিট ভিসা, ওমরাহ ভিসা কিংবা টুরিস্ট ভিসা নিয়ে যারা সৌদি আরবে অবস্থান করবেন, তারা হজের কোনো আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারবেন না। সৌদি আরবে বসবাসরত নাগরিক ও প্রবাসীদের ক্ষেত্রে নিয়ম কিছুটা ভিন্ন হলেও তাদেরও “নুসুক” অ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পারমিট সংগ্রহ করতে হবে।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হজের সময় ভিজিট বা টুরিস্ট ভিসাধারীদের হজ পালনের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সব ধরনের অফিশিয়াল বুকিং বা রিজার্ভেশন শুধুমাত্র অনুমোদিত মাধ্যমের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে।

মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, কোনো ধরনের অননুমোদিত বা ভুয়া চ্যানেলের মাধ্যমে হজের বুকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতি বছর হজ মৌসুমে কিছু অসাধু চক্র সাধারণ মানুষকে প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধভাবে হজে পাঠানোর চেষ্টা করে, যা প্রতিরোধ করতেই এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ থেকে চলতি বছরের প্রথম হজ ফ্লাইটের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ এপ্রিল রাত ২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে প্রথম হজ ফ্লাইট যাত্রা করবে।

সৌদি আরবের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য হজ ভিসা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনি জটিলতার পাশাপাশি হজের আনুষ্ঠানিকতা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সৌদিতে অবস্থানরত প্রবাসীদেরও নির্ধারিত অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে হজযাত্রীদের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে এবং ফ্লাইট পরিচালনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।

সূত্র: সৌদি গেজেট