হত্যাকাণ্ড
লেগুনা চালক নূরে আলম হত্যাকাণ্ড।   ছবি: আরটিএনএন

যাত্রাবাড়ীতে লেগুনা চালক হত্যা মামলার আসামি সোহান মুন্সীকে গ্রেফতার করেছে এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 

শনিবার  (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে র‌্যাব-১০, সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন কুতুবখালী মাছের আড়ৎ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে  এই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ সোহান মুন্সী (২৯), পিতা- শাহজাহান মুন্সী, সাং- বাহেরচর, থানা- মাদারীপুর সদর, জেলা- মাদারীপুর’কে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) যাত্রাবাড়ী হতে চিটাগাং রোডগামী লেগুনা স্ট্যান্ডে গাড়ির সিরিয়াল সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মোঃ সোহান মুন্সী (২৯) ও তার সহযোগীরা ভিকটিম লেগুনা চালক মো: নূরে আলম ওরফে খাইরুল (৩৫)’কে এলোপাথাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা নং- ৫৭, তারিখ ২১/০২/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোডে একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।  

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনপত্রের প্রেক্ষিতে শনিবার  (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা র‌্যাব-১০, সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন কুতুবখালী মাছের আড়ৎ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ সোহান মুন্সী (২৯), পিতা- শাহজাহান মুন্সী, সাং- বাহেরচর, থানা- মাদারীপুর সদর, জেলা- মাদারীপুর’কে গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু সংবাদমাধ্যম আরটিএনএনকে বলেন ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সোহান মুন্সি নানে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। 
অন্য আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করার জন্য বিশেষ অভিযান অব্যাহত আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

এই হত্যাকাণ্ডের পিছনের আসল মোটিভ কি জানতে চাইলে ওসি রাজু বলেন অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতারের পর যথাযথ জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের পরে আসল রহস্য সম্পর্কে জানা যাবে।

তবে লোকাল সূত্র অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে লেগুনা চালক নুর আলমকে অপর চালক সোহান মুন্সিসহ অন্যান্যরা মিলে এই ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ওসি মন্তব্য করেন।