চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম জঙ্গল সলিমপুরে দীর্ঘ দুই দশক পর প্রশাসনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ভোর থেকে তিন হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে সন্ত্রাসীদের আস্তানা ধ্বংস করে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।
ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেন, এলাকার মানুষ প্রশাসনের উপস্থিতিতে ভয় পেত। যৌথ অভিযানের ফলে সন্ত্রাসীরা পালিয়েছে। এখন নিয়মিত টহল টিম সেখানে দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, কিছু ভূমিদস্যু সলিমপুরের সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা করলেও সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্বাসনের কাজ চালানো হবে। শীর্ষ সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলেও এবার থেকে এখানে আর কোনো সন্ত্রাসী থাকতে পারবে না।
চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান জানান, অভিযান থেকে দেশি-বিদেশি তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৭টি পাইপগান, ১,১১৩ রাউন্ড গুলি, ককটেল, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পালিয়ে যাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ডিআইজি লিখিত বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিযানে সেনাবাহিনীর ৫০০, জেলা পুলিশের ১৫০, মেট্রোপলিটন পুলিশের ৮০০, রেঞ্জ রিজার্ভ ৪০০, বর্ডার গার্ড ১৫০ ও র্যাব ৪০০ সদস্যসহ মোট ৩,১৮৩ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অংশ নিয়েছিল। হেলিকপ্টার, ড্রোন, এপিসি ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করে চিরুনি অভিযান পরিচালিত হয়। ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, র্যাব-৭ এর সিও লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজমুল হাসান, চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খান প্রমুখ।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!