ঢাকা-৪ আসনের নির্বাচনী প্রচারণায় নারী নেত্রীর ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর কদমতলীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কদমতলী থানার মহিলা বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলটি কদমতলীর কুদরত আলী বাজার মোড় থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে স্থানীয় জামায়াতের হাজার-হাজার নারী কর্মীরা রাজপথে নেমে আসে।
বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, ঢাকা-৪ আসনের নির্বাচনী পরিচালিক আব্দুর রহিম জীবন, ঢাকা-৪ আসন পরিচালিকা (মহিলা বিভাগ) নারগিস খান, জোন পরিচালক রাবেয়া খানম, মহানগরীর আইটি পরিচালক তানহা আজমী প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন বলেন, ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের পক্ষে প্রচারণাকালে কদমতলী ৫২ নং ওয়ার্ডের ডিপটির গলির কাইল্লা পট্টিতে গতকাল বুধবার দুপুরে জামায়াত নেত্রী কাজী মারিয়া ইসলাম বেবিকে হত্যার উদ্দেশ্যে যুবদলের সন্ত্রাসীরা রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা সরাসরি নারীর প্রতি সহিংসতার শামিল।
তিনি আরও বলেন, নারীর নিরাপত্তা, নারীর স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার লুন্ঠন করে বিএনপি বাংলাদেশে নব্য ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে বিএনপি আওয়ামী লীগের মতোই একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা প্রদান করছে। তাঁরা অস্ত্র ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে মূলত নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার চক্রান্তে লিপ্ত। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের বিঘ্ন ঘটলে জুলাই আন্দোলনের মতো আবারও নারী সমাজ রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, সকল দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না থাকায় সারাদেশে একটি দলের নেতাকর্মীরা জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলের প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা জনমনে সংশয় সৃষ্টি হচ্ছে। প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারালে জনগণ রাজপথে নেমে আসতে পারে বলেও তারা হুশিয়ারি করেন।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই একটি দলের নেতাকর্মীর কাছে মা-বোন নিরাপদ নয়; তারা ক্ষমতায় গেলে মানুষের জান ও মালের কোনো নিরাপত্তা থাকবে না। নির্বাচনের প্রচারণায় প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় নির্বাচনী আচরণ বিধি লংঘন হলেও কমিশন ও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারায় নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যদি কমিশন ও প্রশাসন যদি কোনো দলের পক্ষপাতিত্ব করে তবে জামায়াতে ইসলামী জনগণের পক্ষে পক্ষপাতিত্ব করতে বাধ্য হবে। এই অমানবিক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, এমন নেক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অনতিবিলিম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!