ভোলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে নারী রাজনৈতিক কর্মী বিবি সাওদা (৩৭)-কে গ্রেপ্তার ও হয়রানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)।
সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানায়, এ ধরনের পদক্ষেপ বাংলাদেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও চিন্তার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপ্রকাশের কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে তা এই মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। পাশাপাশি ৩১ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং ৩২ অনুচ্ছেদে ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনটির মতে, ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত কারণ, স্বচ্ছতা এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক। যদি গ্রেপ্তারটি শুধুমাত্র মতপ্রকাশের কারণে হয়ে থাকে এবং তা সহিংসতা বা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়, তবে তা আইনের অপব্যবহার হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা (UDHR)-এর ১৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। একইভাবে আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদ (ICCPR)-এর ১৯ অনুচ্ছেদে মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ৯ অনুচ্ছেদে ব্যক্তির স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার অধিকার স্বীকৃত রয়েছে।
এইচআরএসএস মনে করে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম ভিত্তি। এ ধরনের গ্রেপ্তার ও হয়রানি কেবল ব্যক্তি অধিকারের পরিপন্থী নয়, বরং সামগ্রিকভাবে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সংকুচিত করে।
সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটির নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!