গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান এবং জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। রাজধানীর আলফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘোষণা দেওয়া হয়।
বৈঠকটি মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টায় শেষ হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্যে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে জাতি তা জানতে চায়। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার মূলতবি প্রস্তাব আনার মতো নজিরবিহীন ঘটনা ঘটাচ্ছে, যা অস্বাভাবিক।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে মত দিলেও সরকার তা উপেক্ষা করছে। জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার ২০টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ পাস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার একদলীয় শাসনের দিকে এগোচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার, ড. আহমেদ আব্দুল কাদের, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ফুয়াদ, রাশেদ প্রধান ও সারজিস আলমসহ বিভিন্ন দলের নেতারা।
১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাবিগুলো আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। জ্বালানি খাতে অব্যবস্থাপনার কারণে সৃষ্ট সংকটের সমাধানেও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সংগঠনের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৯ এপ্রিল বিকেল ৫টায় শাহবাগে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন হবে। ১১ এপ্রিল দেশের সব মহানগরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন, ১২ এপ্রিল, সব জেলায় সমান কর্মসূচি পালন করা হবে। কর্মসূচির সমাপ্তি হবে ১৩ এপ্রিল ঢাকায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত জাতীয় সেমিনার দিয়ে।
নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কোনো গড়িমসি হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!