ক্রিকেট, খেলোয়ার, ফখর জামান, বল টেম্পারিং,  শাস্তি, পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), আচরণবিধি লঙ্ঘন, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্স, করাচির ন্যাশনাল ব্যাংক স্টেডিয়াম, ইসলামাবাদ ইউনাইটেড,
ফখর জামানকে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।   ছবি: সংগৃহীত

ল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে শেষ পর্যন্ত শাস্তি পেতেই হলো ফখর জামানকে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্সের এই ওপেনারকে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) আচরণবিধি লঙ্ঘনের (লেভেল ৩) দায়ে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সোমবার (৩০ মার্চ)  এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। এর আগে রোববার (২৯ মার্চ) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই শাস্তি দেয়া হয়।

ম্যাচের শেষ দিকের ঘটনা ঘটে। হারিস রউফের করা শেষ ওভারের আগে ফখর বলের অবস্থার পরিবর্তন ঘটান, সঙ্গে সঙ্গে অন-ফিল্ড আম্পায়াররা লাহোর কালান্দার্সকে ৫ রান জরিমানা করেন এবং বল পরিবর্তনের নির্দেশ দেন।

আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহিদ ও ফয়সাল খান আফ্রিদি, টিভি আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব এবং চতুর্থ আম্পায়ার তারিক রশিদ এই অভিযোগ আনেন ফখর জামানের বিরুদ্ধে।

জামান অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং পূর্ণাঙ্গ শুনানির আবেদন জানান। ম্যাচ রেফারি রোশান মাহনামা শুনানি পরিচালনা করেন এবং সব প্রমাণ পর্যালোচনা করে, পাশাপাশি খেলোয়াড়ের বক্তব্য শোনার পর সিদ্ধান্ত দেন।

এই শুনানিতে লাহোর কালান্দার্সের অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি, টিম ডিরেক্টর শামিন রানা এবং টিম ম্যানেজার ফারুক আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

ফখর জামানের বিরুদ্ধে আচরণবিধির ২.১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়, যা বলের অবস্থা পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত পিএসএলের খেলার শর্তাবলীর ৪১.৩ ধারা ভঙ্গ করে ।

লেভেল ৩-এর প্রথম অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন শাস্তি এক ম্যাচ এবং সর্বোচ্চ দুই ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, অর্থাৎ তাকে সর্বোচ্চ শাস্তিই দেয়া হয়েছে।

লাহোর কালান্দার্সের পরবর্তী ম্যাচ ৩ এপ্রিল মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। এরপর ৯ এপ্রিল ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে করাচির ন্যাশনাল ব্যাংক স্টেডিয়ামে।

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে, ম্যাচ রেফারির লিখিত রায় পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পিএসএলের টেকনিক্যাল কমিটির কাছে আবেদন জমা দিতে হবে।